বৃহঃস্পতিবার ১৯শে এপ্রিল ২০১৮ বিকাল ০৩:৩০:১২

Print Friendly and PDF

নেপালে বিমান বিধ্বস্তনিহত ২৩ বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর


ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রকাশিত : সোমবার ১৯শে মার্চ ২০১৮ সকাল ০৯:২০:৫৯, আপডেট : বৃহঃস্পতিবার ১৯শে এপ্রিল ২০১৮ বিকাল ০৩:৩০:১২,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৫১ বার

নেপালে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ২৩ বাংলাদেশির মরদেহ ত্রিভুবন ইউনির্ভাসিটি টিচিং হাসপাতাল থেকে দূতাবাসে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখানে জানাজার পর মরদেহ ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নেয়া হবে।

সোমবার সকালে নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর পর দুপুরে তাদের দেশে আনা হবে এবং বিকাল ৪টায় বিএএফ ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু কুর্মিটোলায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে বাকি তিন বাংলাদেশির মরদেহ এখনও শনাক্ত হয়নি। এ তিনজনের ক্ষেত্রে যদি ডিএনএ টেস্ট করাতে হয়, তা হলে সময় লাগবে ১০-২১ দিন।

অন্যদিকে বিমান দুর্ঘটনায় আহতরা সবাই শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। তবে তাদের কিছুটা মানসিক অসুস্থতা রয়েছে, যার চিকিৎসা চলছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারবেন তারা।

সূত্র জানায়, নিহতদের স্বজনরা সোমবার ভোর ৬টায় এসে কাগজপত্রসহ মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বাসিতে (দূতাবাসে) যাবেন। সেখানে প্রথম জানাজা হবে। এর পর সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে মরদেহগুলো বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে। মরদেহের স্বজনদের নিয়ে একটি বিমান বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেবে বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে। এর আধা ঘণ্টা পর মরদেহ নিয়ে রওনা হবে দুটি বিমান।

একটি ইউএস-বাংলার বিমান এবং আরেকটি এয়ারফোর্সের বিমান। এয়ারপোর্টে দুজন করে স্বজন ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাবেন। নেপাল থেকে যে স্বজনরা বাংলাদেশ ফিরবেন তারা ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করার পর অপেক্ষা করবেন। কে কোথায় মরদেহ নিতে চান ইউএস-বাংলাকে জানালে মরদেহ সেখানে পৌঁছে দেয়া হবে। মরদেহের হিসাবে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিমানবন্দরে করা থাকবে।

নেপালের ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি টিচিং হাসপাতালে ২৩ বাংলাদেশির মরদেহ শনাক্তের কথা জানানো হয়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্তের পাঁচ দিন পর ফরেনসিক পরীক্ষা শেষে এসব মরদেহ উপস্থিত নিকটাত্মীয়দের দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।

২৩ বাংলাদেশির মধ্যে রয়েছেন- পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ, কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মো. শফি এবং যাত্রী ফয়সাল আহমেদ, বিলকিস আরা, মোসাম্মৎ আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, সানজিদা হক, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, শিশু তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এসএম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভীন শশী রেজা, শিশু অনিরুদ্ধ জামান, মো. নুরুজ্জামান ও মো. রফিকুজ জামান। এ ছাড়া রোববার বিকালে ওই বিমানের ক্রু শারমিন আক্তার নাবিলার লাশ শনাক্ত হয়।