বৃহঃস্পতিবার ১৯শে জুলাই ২০১৮ সকাল ১০:১৬:৩৮

Print Friendly and PDF

নয়াপল্টনে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় ডিআরইউয়ের নিন্দা


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : সোমবার ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সকাল ১১:০৫:৫৯, আপডেট : বৃহঃস্পতিবার ১৯শে জুলাই ২০১৮ সকাল ১০:১৬:৩৮,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৫২ বার

সাংবাদিক কিরণ শেখ ও কামরুল হাসান। ফাইল ছবি

গত শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ডিআরইউর সদস্য দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার কামরুল হাসান এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলাদেশ জার্নালের নিজস্ব প্রতিবেদক কিরণ শেখকে পুলিশী নির্যাতন ও লাঞ্ছিত করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।

ডিআরইউর পক্ষে দফতর সম্পাদক মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, শনিবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে বেরিয়ে আসার সময় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোষাকধারী কয়েকজন পুলিশ কামরুল হাসানকে আটক করে হোটেল ভিক্টরির গলিতে নিয়ে যায়। সেখানে তারা কামরুলকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এরপর তার ফেসবুক আইডি ঘাঁটাঘাঁটি করে এবং পরিচয়পত্রের ছবি তুলে বলে ‘তোকে টার্গেটে রেখেছি।’ কিছুক্ষণ পর সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিবাদের মুখে কামরুলকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কিরণ শেখকে নির্যাতন করে পুলিশ। সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পরও পল্টন থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কুবায়েত কিরণ শেখকে নির্যাতন করে।

কিরণ শেখ বলেন, বিএনপির কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করতে শনিবার নয়াপল্টনে দলটির কার্যালয়ের সামনে আসা মাত্রই কয়েকজন পুলিশ আমাকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে। তারা পরিচয় জানতে চাইলে আমি আইডি কার্ড দেখাই। এরপর পুলিশ অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালিসহ কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে আমাকে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর শার্ট ধরে টেনে তোলে। মারধরের কারণ জানতে চাইলে এক পুলিশ গালে চড় দিয়ে বলে, ‘একদম চুপ, কোনো কথা বলবি না।’

ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী শুভ এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।