রবিবার ১৯শে আগস্ট ২০১৮ দুপুর ০১:৩১:৩৬

Print Friendly and PDF

বিএনপির ৪ নেতাকে গ্রেফতার নিয়ে হাইকোর্টের রুল


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : সোমবার ২রা এপ্রিল ২০১৮ সন্ধ্যা ০৭:১৮:০১, আপডেট : রবিবার ১৯শে আগস্ট ২০১৮ দুপুর ০১:৩১:৩৬,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪০৮ বার

সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা লঙ্ঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিএনপির চার নেতাকে জবরদস্তিমূলকভাবে গ্রেফতার কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এছাড়া বিএনপির এই চার নেতাকে গ্রেফতারে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সোমবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর এ রুল দেয়।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, ডিএমপির রমনা জোনের উপকমিশনার, গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর জোনের অতিরিক্ত কমিশনার, দক্ষিণ জোনের উপকমিশনার, রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনারসহ ১৪ বিবাদীকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ২৯ মার্চ হাইকোর্টে আবেদনটি করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর-বিক্রম।

আদালতে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এহসানুর রহমান ও মীর হেলাল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

শুনানি শেষে মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, মিলনের ওপর অসম্ভব অত্যাচার করা হয়, পরে তার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের আপিল বিভাগের একটি রায় আছে কীভাবে গ্রেফতার করতে হবে, রিমান্ডে নেয়ার ব্যাপারে অনেক বিষয় আছে। যেটা সবার প্রশাসনের জন্য বাধ্যতামূলক। খুবই পরিচ্ছন্ন এবং সুদূরপ্রসারী রায়। এই চারজনকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া ‘সম্পূর্ণভাবে আইন ও সুপ্রিমকোর্টের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী।

রুলের পর আগামী ১ আগস্ট আবেদনটির পরবর্তী শুনানির দিন আদালত নির্ধারণ করেছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে ৬ মার্চ, ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম মিজানুর রহমানকে ৮ মার্চ এবং সহসভাপতি জাকির হোসেন মিলনকে ৬ মার্চ সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ সদস্যরা গ্রেফতার করে। বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাবু ও মিলনকে গ্রেফতার করা হয় ৬ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে। মিলনকে শাহবাগ থানার এক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ। ১২ মার্চ তার মৃত্যুর খবর আসে। পুলিশ দাবি করে, এই ছাত্রদল নেতা অসুস্থ হয়ে মারা যান।