সোমবার ২০শে আগস্ট ২০১৮ বিকাল ০৪:৪৫:১৭

Print Friendly and PDF

যুবায়ের হত্যা: ৫ জনের ফাঁসি বহাল


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : বুধবার ২৪শে জানুয়ারী ২০১৮ বিকাল ০৪:০৮:৪৫, আপডেট : সোমবার ২০শে আগস্ট ২০১৮ বিকাল ০৪:৪৫:১৭,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৫৮ বার

ফাইল ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইংরেজি বিভাগের ছাত্র জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্টে।

বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন সাজার রায় পাওয়া ছয় আসামির মধ্যে চারজনকে খালাস দিয়েছে হাই কোর্ট।

সর্বোচ্চ সাজার আদেশ পাওয়া পাঁচজন হলেন- প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের আশিকুল ইসলাম আশিক, খান মোহাম্মদ রইছ ও জাহিদ হাসান, দর্শন বিভাগের রাশেদুল ইসলাম রাজু এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের মাহবুব আকরাম।

তাদের মধ্যে রাশেদুল ইসলাম রাজু ছাড়া বাকি চারজন পলাতক। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রাজু যে আপিল করেছিলেন, তা খারিজ করে একই সাজা বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।

আর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ পাওয়া ছয়জনের মধ্যে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র নাজমুস সাকিব তপু ও দর্শন বিভাগের ইশতিয়াক মেহবুব অরূপের সাজা হাই কোর্টেও বহাল রাখা হয়েছে।

পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র শফিউল আলম সেতু ও অভিনন্দন কুণ্ডু অভি, দর্শন বিভাগের কামরুজ্জামান সোহাগ এবং ইতিহাস বিভাগের মাজহারুল ইসলাম অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছেন।

এই ছয়জনের মধ্যে অরূপ পলাতক, বাকি সবাই কারাগারে আছেন। এ মামলার আসামিদের সবাই ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরোয়ার কাজল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিরমল কুমার দাশ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ছুটিতে থাকায় এ রায় ঘোষণা হয়নি।

গত ৯ জানুয়ারি জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ।

যুবায়ের হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালত রায় দেন। রায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

পরে যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে পাঁচ আসামি। তারা হলেন- মাজহারুল ইসলাম, শফিউল আলম, নাজমুস সাকিব, কামরুজ্জামান ও অভিনন্দন কুণ্ডু।

আসামিরা সবাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগকর্মী।

২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি জুবায়েরকে ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে কুপিয়ে জখম করেন। পর দিন ভোরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।