মঙ্গলবার ১৮ই ডিসেম্বর ২০১৮ রাত ০৮:৪৯:৩৯

Print Friendly and PDF

৫ম দিনে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি


আদালত প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : বুধবার ১৮ই জুলাই ২০১৮ সকাল ১০:৪৬:০৩, আপডেট : মঙ্গলবার ১৮ই ডিসেম্বর ২০১৮ রাত ০৮:৪৯:৩৯,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩০৫ বার

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আপিলের শুনানি বুধবার ৫ম দিনের মতো শুনানি শুরু হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে বুধবার (১৮ জুলাই) খালেদার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান শুনানি শুরু করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান উপস্থিত রয়েছেন।

মঙ্গলবার চতুর্থ দিন পর‌্যন্ত আপিল আবেদনের পক্ষের আইনজীবীরা পেপারবুক (মামলার সব নথি) থেকে রাষ্ট্রপক্ষের তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্য, জেরা ও জবানবন্দি পড়ে শোনান। রাষ্ট্রপক্ষের ৩২ সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত চার সাক্ষীর সাক্ষ্য, জেরা ও জবানবন্দি তুলে ধরেছেন তারা। এ ছাড়া পেপারবুক থেকে ওই মামলার প্রথম অনুসন্ধান প্রতিবেদনও পাঠ করেছেন।

গত ১২ জুলাই এ আপিল শুনানি শুরু হয়।

এ মামলায় ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি। বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দু’জন হলেন-মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

পলাতক তিনজন হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে খালেদার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ওমমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন।

২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদণ্ড স্থগিত করে নথি তলব করেন। এরপর ৭ মার্চ অপর আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।

পরে ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের করা আবেদনে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত। এখন তিন আসামির আপিল ও দুদকের আবেদনের রুল এ আদালতে শুনানি হচ্ছে।