বৃহঃস্পতিবার ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৮ সকাল ০৭:৫৩:৫৩

Print Friendly and PDF

খালেদা জিয়ার জন্য প্রস্তুত বিএসএমএমইউর কেবিন


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : শনিবার ৭ই এপ্রিল ২০১৮ সকাল ০৭:৪৪:৩৩, আপডেট : বৃহঃস্পতিবার ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৮ সকাল ০৭:৫৩:৫৩,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৮৯ বার

খালেদা জিয়া, ফাইল ছবি

চিকিৎসার জন্য কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

কারা কর্তৃপক্ষের আবেদনে খালেদা জিয়ার জন্য একটি কেবিনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শনিবার সকালে বিএসএমএমইউ চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ আলী আসগর মোড়ল জানান, খালেদা জিয়ার জন্য একটি কেবিনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড সেখানে তাকে দেখবেন। এরপর কী হবে সেটা মেডিকেল বোর্ড ঠিক করবে।

এদিকে শনিবার সকাল থেকে বিএসএমএমইউতে পুলিশের তৎপরতা দেখা গেছে। তৎপরতা রয়েছে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের পুরনো কারাগারেও।

খালেদা জিয়া দুই মাস ধরে পুরনো কারাগারে একমাত্র বন্দি হিসেবে রয়েছেন। তার চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. শামসুজ্জামান। বোর্ডে সদস্য রয়েছেন ডা. মনসুর হাবীব (নিউরোলজি), টিটু মিয়া (মেডিসিন) ও সোহেলী রহমান (ফিজিক্যাল মেডিসিন)।

গত ৪ এপ্রিল খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান শাহীন জানান, আগের সমস্যাগুলোর পাশাপাশি খালেদা জিয়ার নতুন কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। অপাতত তার রক্ত পরীক্ষার পাশপাশি দুই হাঁটুতে এক্সরে করাতে হবে। পরীক্ষার পরই বোঝা যাবে তার অসুস্থতা গুরুতর কিনা। এরপরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।

ডা. শাহীন বলেন, খালেদা জিয়ার দুই হাঁটু প্রতিস্থাপন করা। তার হাঁটুতে এখন যে ব্যথা তা বয়স থেকে হতে পারে। আগের অপারেশনের জেরে হতে পারে, আবার নতুন হতে পারে।

তার কোমর ও ঘাড়ে বড় ধরনের কোনো সমস্যা আছে কিনা তা জানতে সিটিস্ক্যান বা এমআরআই করানো লাগতে পারে। তার ব্যথা কেবল শিনশিন-ঝিনঝিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাকি হাড় পর্যন্ত পৌঁছেছে তা জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয় খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচ আসামিকে। রায় ঘোষণার পরই খালেদা জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার রাখা হয়েছে।