বৃহঃস্পতিবার ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ দুপুর ০২:২৮:৩৬

Print Friendly and PDF

কাল আদালতে খালেদার হাজিরার দিন


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : শনিবার ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বিকাল ০৫:২৬:৫৮, আপডেট : বৃহঃস্পতিবার ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ দুপুর ০২:২৮:৩৬,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭২৪ বার

খালেদা জিয়া ফাইল ছবি

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি–সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় আগামীকাল রোববার কারাগার থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করানোর দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ফেব্রুয়ারি খালেদাকে হাজির করার নির্দেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২।

আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছে, এ মামলার বিচার চলছে পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর এবং তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমানসহ পাঁচজনের দশ বছর কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকে খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে রাখা হয়।

খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করানোর পরোয়ানা (প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট বা পিডব্লিউ) জারির আবেদন করেন দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। সেখানে বলা হয়, রমনা থানার একটি মামলায় খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে আছেন। তাই তাঁকে হাজির করানোর জন্য পিডব্লিউ জারি করা হোক। শুনানি নিয়ে আদালত ১২ ফেব্রুয়ারি খালেদাকে হাজির করানোর নির্দেশ দেন। আদালত সূত্র বলছে, ওই দিনই খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করানোর জন্য কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে পিডব্লিউ ইস্যু করা হয়।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া আজ শনিবার দুপুরে কারাগারে যান। পরে তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে হাজির করানোর জন্য আদালতের পরোয়ানা কারাগারে এসেছে। তবে কারাগারের জেল সুপার কিংবা জেলার তাঁর ফোন ধরেননি।

বিএনপি চেয়ারপারসনকে আদালতে হাজির করানো হবে কি না, সেটা নির্ভর করছে কারা কর্তৃপক্ষের ওপর। তবে আইনজীবী সানাউল্লাহ মনে করেন, এই মামলায় খালেদা জিয়া আইনজীবীদের মাধ্যমে হাজিরা দিচ্ছিলেন। কালও তাঁকে হাজির নাও করা হতে পারে।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় দুদক এ মামলাটি করে। অভিযোগপত্র দেওয়া হয় ২০০৮ সালের ৫ অক্টোবর।

মামলাটি অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে আছে।