মঙ্গলবার ২২শে জানুয়ারী ২০১৯ রাত ১২:৪৬:০৬

Print Friendly and PDF

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত


আদালত প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : সোমবার ১৯শে মার্চ ২০১৮ ভোর ০৫:৪২:৪৩, আপডেট : মঙ্গলবার ২২শে জানুয়ারী ২০১৯ রাত ১২:৪৬:০৬,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭০৭ বার

খালেদা জিয়া, ফাইল ছবি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশ ৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদককে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগরাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের লিভ টু আপিল আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

এ আবেদনের ওপর রোববার শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এজে মোহাম্মদ আলী।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে আছেন। এরপর খালেদা জিয়ার পক্ষে জামিন আবেদন করা হলে হাইকোর্ট গত ১২ মার্চ তাকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।

পরদিনই আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে তা স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক। ওইদিন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর জামিন আদেশ স্থগিত না করে আবেদন দুটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

১৪ মার্চ আপিল বিভাগ চার মাসের জামিন দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ ১৮ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করেন। ওই সময়ের মধ্যে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত আপিলের আবেদন (লিভ টু আপিল) করার নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত।

ওইদিন বিকালে খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিনের ওপর আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে তার আইনজীবী চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করলে তা শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এদিকে বৃহস্পতিবার লিভ টু আপিল করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ।