সোমবার ২২শে জানুয়ারী ২০১৮ বিকাল ০৪:০৬:৫৫

Print Friendly and PDF

আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিকের জামিন


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৭ সন্ধ্যা ০৬:৩৮:০০, আপডেট : সোমবার ২২শে জানুয়ারী ২০১৮ বিকাল ০৪:০৬:৫৫,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৭০ বার

অর্থ পাচারের তিন মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে জামিন দিয়েছেন আদালত। তবে দিলদারের বিরুদ্ধে আরও দু'টি মামলা থাকায় তাকে কারাগারেই থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন আবেদন সংক্রান্ত রুলের শুনানি নিয়ে এ রায় দেন।

আসামিপক্ষের কৌঁসুলি এ এম আমিন উদ্দিন জানান, পাঁচ মামলার মধ্যে গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদ পৃথক দুই মামলায় জামিন পেলেও তাদের কারা মুক্তিতে আইনগত বাধা নেই। আর দিলদার আহমেদ এক মামলায় জামিন পেয়েছেন। তার নামে আরও দুই মামলা থাকায় কারাগারেই থাকতে হচ্ছে তাকে।

পৃথক পাঁচ মামলায় আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের করা জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২২ নভেম্বর রুল দেন হাইকোর্ট। রুলে তাদের কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। বুধবার ও আজ ওই রুলের ওপর শুনানি নিয়ে এ রায় দেন আদালত। রায়ে দিলদার আহমেদের অপর দু'টি আবেদন মুলতবি (স্যান্ড ওভার) রাখা হয়েছে।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন- এএম আমিন উদ্দিন, শেখ ফজলে নূর তাপস ও মো. মেহদী হাসান চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসূফ মাহমুদ মোর্শেদ।

বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, শাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

ওই মামলা ধামাচাপা দিতে বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এরপর আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতে শুরু করে শুল্ক গোয়েন্দারা। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা হয় পাঁচটি মামলা।