বৃহঃস্পতিবার ২৩শে নভেম্বর ২০১৭ সকাল ০৯:৩৮:৩৪

Print Friendly and PDF

এবার নিষিদ্ধ শারজিল খান


ক্রীড়া ডেস্ক:

প্রকাশিত : সোমবার ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৭ সন্ধ্যা ০৭:৩৪:১১, আপডেট : বৃহঃস্পতিবার ২৩শে নভেম্বর ২০১৭ সকাল ০৯:৩৮:৩৪,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ২০০ বার

সময়নিউজ ডট নেট:
ঢাকা: পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দ্বিতীয় আসরের শুরুতেই স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হন শারজিল খান। বাঁ-হাতি এই ওপেনার ছাড়াও নিষিদ্ধ হন খালিদ লতিফ, মোহাম্মদ ইরফান, শাহজেব হাসান ও নাসির জামশেদ।

এরপর ফিক্সিং তদন্তের জন্য লাহোরের হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করে পিএসএলের গভর্নিং কমিটি। পিএসএলের দুর্নীতি ও অনিয়ম সুষ্ঠু তদন্তের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আশগর হায়দারের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট ট্রাইবুনাল গঠন করে লাহোরের হাইকোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে চলেছে তদন্ত।

নতুন খবর হচ্ছে, ফিক্সিংয়ের সাথে শারজিল খানের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছে হাইকোর্ট।

আদালত বলছে, পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্পট ফিক্সিং করতে রাজি হয়েছিলেন শারজিল খান। এজন্য তিনি মোটা অঙ্কের অর্থ নেন।

এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে কনরাড হোটেলের কাছে একটি ক্যাফেতে বাজিকরের সাথে দেখা করেছিলেন তিনি। এসময় তার সাথে ছিলেন আরেক পাকিস্তানি ওপেনার খালিদ লতিফ।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, শারজিল-খালিদের সাথে দেখা করা ওই বাজিকরের নাম ছিল ইউসুফ আনোয়ার। সেখান তাদের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম ওভারের পর বল মোকাবেলার আগে কিছুটা কুঁজো হতে বলা হয় শারজিল খানকে। কিন্তু এই ম্যাচে চার বলের মোকাবেলায় মাত্র এক রান করেই আউট হয়েছিলেন তিনি।

এর আগে পিএসএলের প্রথম ম্যাচেই স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হন শারজিল খান ও খালিদ লতিফ। দ্বিতীয় আসরে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের হয়ে খেলছিলেন তারা দু'জনই। এরপর একই অভিযোগে অভিযুক্ত হন আরও তিন পাকিস্তানি। এই ঘটনায় প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে শাস্তি আওতায় আনা হয় মোহাম্মদ ইরফানকে। এক বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়।