সোমবার ২৮শে মে ২০১৮ সকাল ০৭:০৭:১০

Print Friendly and PDF

ছাত্রলীগের হামলাও কাম্য নয়: মাকসুদ কামাল


বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : রবিবার ২৮শে জানুয়ারী ২০১৮ বিকাল ০৩:০৬:১৮, আপডেট : সোমবার ২৮শে মে ২০১৮ সকাল ০৭:০৭:১০,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৬৪ বার

অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শিক্ষক সমিতি মানববন্ধন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ছাড়া আন্দোলনকারীদের ওপর একটি ছাত্র সংগঠন (ছাত্রলীগ) যেভাবে হামলা চালিয়েছে, সেটাও কাম্য নয়। এ বিষয়টিও তদন্ত করা হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরের কার্যালয় ভাঙচুর এবং উপাচার্যের সঙ্গে অসদাচরণের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শিক্ষক সমিতি মানববন্ধন করে। বেলা ১১টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন শেষে এক প্রশ্নের জবাবে মাকসুদ কামাল এ কথা বলেন।

সেদিন উপাচার্যকে ঘেরাও করে বিক্ষোভের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারস্থ হলো না, কেন আরেকটি ছাত্র সংগঠন এসে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালাল—এমন প্রশ্নের জবাবে মাকসুদ কামাল বলেন, ‘পুলিশ আসা মাত্রই আরেকটি স্লোগান উঠত, বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ কেন, কর্তৃপক্ষ জবাব চাই। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী সবাই মিলে এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে আমাদের সমস্যা আমরাই সমাধান করতে পারি। পরে ছাত্র সংগঠনটি এসে যে ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়টিও তদন্তে আছে। তার আগে চার ঘণ্টা ভিসিকে অবরুদ্ধ করে যেসব ঘটনা ঘটেছে এবং প্রশাসনিক ও একাডেমিক কর্মকাণ্ড ব্যাঘাত সৃষ্টি করা হয়েছে, সেটি কোনোভাবে কাম্য নয়। পরবর্তী ছাত্র সংগঠনটি এসেছে, সেটিও কোনোভাবে কাম্য নয়। আমরা আশা করছি, বিষয়গুলো শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে।’ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ছাত্র সংগঠনগুলোকে তিনি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

আজ শিক্ষক সমিতির এই মানববন্ধনে সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্যরাসহ প্রায় দেড় শ শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

২৩ জানুয়ারির ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন ছাত্রলীগকে ডাকা হলো। তখন তিনি বলেছিলেন, সেখানে (মঙ্গলবার) ছাত্রলীগের কেউ ছিল না। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমাদের যখন অবরুদ্ধ করা হয়েছিল, তখন আমরা মানসিক ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছি। এ সময় আমরা কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় উপাচার্যকে উদ্ধার করেছি।’

পরের দিন উপাচার্যের প্রশাসনিক ভবনে সংঘটিত ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বিবৃতি দেয়। তারা মনে করে, ‘গত মঙ্গলবারের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়কে অশান্ত করতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের অপপ্রয়াস।’