সোমবার ২০শে আগস্ট ২০১৮ রাত ০১:০৪:০২

Print Friendly and PDF

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকোনো মামলাতেই খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : মঙ্গলবার ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সন্ধ্যা ০৬:৫৯:৩২, আপডেট : সোমবার ২০শে আগস্ট ২০১৮ রাত ০১:০৪:০২,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৪৫ বার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি

অন্য কোনো মামলাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

কয়েকটি মামলায় খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে বলে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা সত্য নয় বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেবল জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন। অন্য কোনো মামলাতে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বর্তমানে একটি মামলায় কারাগারে আছেন। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ও গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। এসব মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি।

কারাগারে খালেদা জিয়াকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, খালেদা জিয়া একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দলের প্রধান। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার একটি সামাজিক মর্যাদা রয়েছে। তার সামাজিক মর্যাদা বিবেচনা করে তাকে এখানে বিশেষ মর্যাদায় রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কাশিমপুর কারগারে অনেক কয়েদি রয়েছে। তাছাড়া কারাগারটি অনেক দূরে। যাতায়াতের পথও স্বস্তিদায়ক নয়। এজন্য খালেদা জিয়াকে এখানে বিশেষ বন্দির মর্যাদায় রাখা হয়েছে। তার প্রাপ্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা তাকে দেয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

এছাড়া একই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত।

রায়ের পরপরই খালেদা জিয়াকে আদালতের পাশে নাজিমউদ্দিন রোডের লালদালানখ্যাত ২২৮ বছরের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

২০১৬ সালের ২৯ জুন থেকে ছয় হাজার ৪০০ বন্দিকে কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ার রাজেন্দ্রপুরের নতুন কারাগারে স্থানান্তর করে পুরান কারাগার বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু দুই বছর চার মাস ১০ দিন পর দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে এই পরিত্যক্ত কারাগারেই দিন পার করছেন খালেদা জিয়া।