সোমবার ১৬ই জুলাই ২০১৮ ভোর ০৫:১২:১৭

Print Friendly and PDF

আলজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্তে ২ শতাধিক প্রাণহানির শঙ্কা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশিত : বুধবার ১১ই এপ্রিল ২০১৮ বিকাল ০৪:৪৩:০৪, আপডেট : সোমবার ১৬ই জুলাই ২০১৮ ভোর ০৫:১২:১৭,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪১৩ বার

উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ার একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্তে দুই শতাধিক আরোহীর প্রাণহানি শঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় রেডিও স্টেশনের বরাত দিয়ে বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বুধবার রাজধানী আলজিয়ার্সের বোফারিক বিমান ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পরপর সামরিক ওই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

বিবিসি বলছে, রাশিয়ার তৈরি বিমানটিতে দুই শতাধিক কিংবা তারও বেশি যাত্রী ছিল। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে উড্ডয়নের পরপরই বিমানবন্দরের পাশের কৃষি জমিতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

বিধ্বস্তের এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি বলছে, নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বার্তাসংস্থা এএফপি বলছে, বিমান বিধ্বস্তের স্থানে শতাধিক অ্যাম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। আহতদের উদ্ধারের রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

দেশটির রেডিও স্টেশনের খবরে বিমান ইলিশিন আইএল-৭৬ সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিমানটির আরোহীরা সবাই সামরিক বাহিনীর সদস্য।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আলজেরিয়২৪ বলছে, বিমানটি পশ্চিমাঞ্চলের বেচার শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল।

আলজেরিয়ার নাগরিক সুরক্ষা সংস্থার প্রধান মুখপাত্র মোহাম্মদ আচৌর বলেছেন, শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। তবে অামরা এই মুহূর্তে সঠিক পরিসংখ্যান জানাতে পারছি না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বিমান বিধ্বস্তের স্থান থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উড়ছে। এ ঘটনার পর দেশটির উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আলজেরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০০৩ সালের পর দেশটিতে বিমান বিধ্বস্তে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা। ওই বছর দেশটির বিমান সংস্থা এয়ার আলজেরিয়ার একটি বিমান তামানরাসেট থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১০২ আরোহী নিহত হয়।

২০১৪ সালে দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবার বহনকারী একটি বিমান বিধ্বস্তে ৭৭ জনের প্রাণহানি ঘটে।