শনিবার ২০শে জুলাই ২০১৯ সকাল ০৯:১৫:০২

Print Friendly and PDF

রেলওয়ের আধুনিকায়নসহ ১০ প্রকল্প অনুমোদন একনেকে


ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রকাশিত : মঙ্গলবার ২৫শে জুন ২০১৯ সন্ধ্যা ০৬:০৬:৪৯, আপডেট : শনিবার ২০শে জুলাই ২০১৯ সকাল ০৯:১৫:০২,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৮২ বার

একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ২১টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ নবরুপায়নসহ ১০ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৯৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্প সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। খবর বাসসের

তিনি জানান, একনেকে অনুমোদিত ১০ প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ৬ হাজার ৯৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে খরচ করা হবে ৬ হাজার ৬৮৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা,বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ২৪১ কোটি ৫২ লাখ এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বৈদেশিক সহায়তা পাওয়া যাবে ৩৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, রেলের ২১ ইঞ্চিন আধুনিকরণ প্রকল্পের আওতায় রেলের ২১টি এমজি লোকোমোটিভ পুনর্বাসনের মাধ্যমে নবরূপায়ন করা হবে। এতে লোকোমোটিভগুলোর কর্মক্ষমতা যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি চলাচলে গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে যাত্রী সেবা নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ২১টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ নবরূপায়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। জানুয়ারি ২০১৯ হতে জুন ২০২২ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে সমন্বিতভাবে সরকারি অফিস স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া ছোট,মাঝারি ও বড় এই তিন ভাবে ভাগ করে জেলা সদরের সরকারি অফিসগুলো যেন একই ডিজাইনের হয় সেই নির্দেশনাও প্রদান করেছেন তিনি।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পসমূহ হলো-বামনডাংগা (গাইবান্ধা)-শঠিবাড়ী-আফতাবগঞ্জ জেলা মহাসড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন জোনের প্রধান সংযোগ রাস্তাগুলি প্রশস্তকরণসহ নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা। অফিসার্স ক্লাব,ঢাকা এর ক্যাম্পাসে বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় হবে ২২৮ কোটি টাকা। মানিকগঞ্জ বহুতল বিশিষ্ট সমন্বিত সরকারি অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৯৫ কোটি টাকা।

ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৯৮ কোটি টাকা। দুস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পুনঃনির্মাণ, কোনাবাড়ি, গাজীপুর প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮১ কোটি টাকা। সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৯ কোটি টাকা। বৃহত্তর ফরিদপুর সেচ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় হবে ২০০ কোটি টাকা। ওয়েষ্ট জোন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও আপগ্রেডেশন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা।