রবিবার ২১শে এপ্রিল ২০১৯ রাত ০২:২৮:২০

Print Friendly and PDF

মস্তিষ্ক সচল রাখার ১০ কৌশল


লাইফস্টাইল ডেস্ক:

প্রকাশিত : রবিবার ১৪ই অক্টোবর ২০১৮ সন্ধ্যা ০৬:১০:৫৫, আপডেট : রবিবার ২১শে এপ্রিল ২০১৯ রাত ০২:২৮:২০,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ২২৭ বার

গাড়ি চালাচ্ছেন এক নারী।

মস্তিষ্ক মানুষের শরীরে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। আপনি একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ। আপনা হাত, পা বা আঙুল ভেঙে গেলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বাধাগ্রস্থ হয়৷ তবে মস্তিষ্ক এলোমেলো হয়ে গেলে পুরো জীবনটাই প্রায় মূল্যহীন হয়ে পড়ে৷

গবেষকদের দেয়া মস্তিষ্ককে সচল রাখার কিছু সহজ উপায় রয়েছে। আসুন জেনে নেই এমনি কিছু উপায়।

জোরে জোরে হাসুন

দিনে অন্তত একবার তিরিশ মিনিট প্রাণ খুলে জোরে জোরে হাসুন৷ এতে কিছু শেখা ও মনে রাখার ক্ষমতা শতকরা ৩৮ ভাগ বেড়ে যেতে পারে৷ এই তথ্যটি অ্যামেরিকা ক্যালিফোর্নিয়ার লোমা লিন্ডা বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে৷

মাছ খান

অ্যামেরিকার পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক সমীক্ষা জানায়, সপ্তাহে অন্তত একদিন হেরিং, কাবেলিয়াও বা স্যামন ফিস খেলে মানুষের আইকিউ বেড়ে যায় শতকরা পাঁচ ভাগ৷ তাছাড়া আখরোট মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী৷

দিনে ৩ কাপ কফি

আনুমানিক ২০০ মিলিগ্রাম বা তিন কাপ কফি পান করলে মস্তিষ্ক সচল থাকে৷ তবে কিন্তু এর চেয়ে কমও নয়, বেশি নয়৷

মসলার রানি হলুদ

দিনে এক চা চামচ হলুদ যে কোনো সংক্রমণ থেকে মস্তিষ্ককে রক্ষা করে৷ সাধারণ মানুষ এবং ডিমেনশিয়া রোগীর স্বরণশক্তিকেও সবল করতে সহযোগিতা করে হলুদ৷

শাক-পাতা

প্রতিদিন তিন টেবিল চামচ শাক-পাতা খেলে মস্তিষ্ক সতেজ থাকে৷ শিকাগোর এক গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা গেছে৷

নেচে নেচে তরুণ থাকুন

সাম্বা, সালসা বা টাঙ্গো- যা-ই হোক না কেন, তা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায় শতকরা ৭৬ ভাগ৷ নিউ ইয়র্কের আলবার্ট আইনস্টাইন কলেজের করা সমীক্ষা জানাচ্ছে তথ্যটি৷ বলা হয়েছে, নাচের মাধ্যমে মস্তিষ্ক অক্সিজেন এবং শক্তি পায়৷

প্রতিদিনের নিয়ম ভেঙ্গে ফেলুন

প্রতিদিন একই নিয়মে না চলে মাঝেমধ্যে একটু এদিক-সেদিক করতে পারেন৷ হঠাৎ করে একদিন অন্য চা বা কফি পান করলেন, কিংবা ডান হাতের বদলে বাঁ হাত দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলেন৷ অর্থাৎ একটু অনিয়ম করলেন৷ এতে করে মস্তিষ্ক সজাগ থাকে৷

বাগান করা ব্রেন ফাংশন ঠিক রাখে

ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক সমীক্ষা জানায়, বাগানে মাত্র তিরিশ মিনিট কাজ করলে মস্তিষ্কে ঠিক মতো রক্ত চলাচল করে, ফলে মস্তিষ্কের অন্যান্য ফাংশনও ভালো হয়৷

আপনি কি গাড়ি চালান?

একদিন নেভিগেটার ছাড়া একটি অপরিচিত জায়গায় ড্রাইভ করে চলে যান, আবার ঠিক সেভাবেই বাড়িতে ফিরে আসুন৷ এতে নাকি মস্তিষ্কের পুরনো কোষগুলো সজাগ হয়ে ওঠে৷