বুধবার ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ ভোর ০৪:০০:৩১

Print

করোনা ভাইরাসের কিছু অজানা তথ্য


স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত : সোমবার ২৭শে জানুয়ারী ২০২০ সকাল ১০:৪৮:১৩, আপডেট : বুধবার ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ ভোর ০৪:০০:৩১,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৫৪ বার

ফাইল ছবি

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস ঘিরে ক্রমেই ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। করোনা ভাইরাসের থাবায় লাফিয়ে লাফিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে চীনে। দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব বলছে, রবিবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৬। আক্রান্তের সংখ্যাটাও বাড়ছে হু হু করে। এই সংখ্যাটা প্রায় দু’হাজার।

ইতিমধ্যেই এই ভাইরাস চীনের গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, নেপাল, মালয়েশিয়ায়। সংক্রমণ ছড়িয়েছে ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকাতেও। যে গতিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে চীনে, তা সামাল দিতে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে চীনা সরকারকে।

কতটা ভয়ঙ্কর এই করোনা ভাইরাস, জেনে নিন এ ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য-
চীনের উহান শহর থেকেই ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। সেখানে চলছে কড়া নজরদারি। সকল বহির্গামী উড়ান, ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বিশেষ কারণ না থাকলে কাউকে শহর ছাড়তে মানা করা হয়েছে।

উহানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সেই সংখ্যাটা ৪,০০০ হতে পারে। চীনা সরকারি হিসেবে যা বলছে তার দশ গুণ। চীনের 'ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন'-এর বিজ্ঞানীরা তেমনটাই মনে করছেন।

থাইল্যান্ডে এই অসুখে চারজন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রে একজন করে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের প্রত্যেকেই হয় উহানের বাসিন্দা অথবা সম্প্রতি সেখানে গিয়েছিলেন।

উহান থেকে আসা যাত্রীদের ‘স্ক্রিনিং' বা পরীক্ষা করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জাপান, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া প্রভৃতি দেশে। রাশিয়াও পরিচ্ছন্নতা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজর দিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করছে, সপ্তাহব্যাপী চীনের চান্দ্র নববর্ষ উদযাপনের সময় বিপুল সংখ্যক মানুষের চীনে আসা বা চীন থেকে বাইরে যাওয়ার কারণে এই অসুখ আরও দ্রুত ছড়াতে পারে।

করোনা ভাইরাসটির নাম 2019-nCoV। সার্স ভাইরাসের মতোই ক্ষমতা এই ভাইরাসের। প্রসঙ্গত, ২০০২-০৩ সালে সার্স ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে ৩৪৯ জন ও হংকংয়ের ২৯৯ জন মারা যান।

ভাইরাসটিকে পরীক্ষা করে মনে করা হচ্ছে, করোনা ভাইরাসের উৎস হতে পারে বাদুড় ও সাপ। বেইজিংয়ের ‘চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স' এমনই মনে করছে।

আক্রান্তদের জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, গলা ফুলে যাওয়া কিংবা সর্দির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে সার্স আক্রান্তদের মতোই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই অসুখের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নির্দেশিকা সকল হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছে।

সূত্র: এফপি, রয়টার্স ও পিটিআই।