শনিবার ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ সকাল ০৬:৩৩:০২

Print Friendly and PDF

ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কেন্দ্রীয় কাউন্সিলআলোচনায় সাধারন সম্পাদক প্রার্থী জাকির


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত : সোমবার ৯ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ সকাল ১১:৫৫:৪২, আপডেট : শনিবার ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ সকাল ০৬:৩৩:০২,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৫৮১ বার

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের বাকি মাত্র ৫ দিন। কাউন্সিলরদের দরজায় কড়া নাড়ছে প্রার্থীরা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই সাধারন সম্পাদক হিসেবে আলোচনার শীর্ষে আসছেন মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার আন্দোলনের সৈনিক হিসেবে ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন জাকির। এবারের নির্বাচনে কাউন্সিলরদের ভোটের নির্বাচিত হলে কমিটি বাণিজ্য হবে না বলেও জানান।

মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিভাগে অর্নাস শেষ করেন। কিন্তু ছাত্রদলের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় ক্যাম্পাসে ক্লাশ ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হয়নি। ফলে এম এসসি শেষ করতে পারেননি। এছাড়াও রাজীব আকরাম কমিটির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এর আগে ছাত্রদল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ১নং যুগ্ম আহবায়ক ও আলবেরুনী হল শাখা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ছাত্রজীবনের রাজনীতি করতে গিয়ে পুলিশী হয়রানী হামলা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে অনেকবার। ওয়ান ইলেভেন থেকে শুরু করে অদ্যবধি পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে মামলার এখন ৩৮ টি।সাভার আশুলিয়া , দারুসসালাম ও পল্টন থানার এসব মামলায় কয়েকবার কারাবরনও করেন। এমনকী ২০১৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী রাজধানীর রায়েরবাজার থেকে ডিবি পুলিশ উঠেয়ে নিয়ে যায়। ৩ দিন নিখোঁজ থাকা জাকিরকে ২৭ ফেব্রুয়ারী সকালে ডিবি মিডিয়া সেন্টারে হাজির করা হয়। এবারের নির্বাচনে দলের জন্য এই ত্যাগী নেতাকে কাউন্সিররা মুল্যায়ন করতে চায় জানা গেছে। একাধিক কাউন্সিলর জানায়, জাকিরকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে দেখতে চাই। তিনি নির্বাচিত হলে সিন্ডিকেট মুক্ত হবে কমিটি।

জানতে চাইলে সাধারন সম্পাদক প্রার্থী মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির বলেন, ২৭ বছর পর ছাত্রদলের কাউন্সিল যে পেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তা সত্যিই কঠিন। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন - নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। ছাত্রদলের সারাদেশের সবকটি ইউনিট যোগ্য নেতৃত্বে মাধ্যমে শক্তিশালী করতে হবে।

ছাত্রদলকে ক্যাম্পাস মুখি করার কথা উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, ছাত্রদলকে ক্যাম্পাসে শক্তিশালী করতে হবে। সারাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ইউনিটগুলোতে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মী তৈরি করতে হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপির অবদান তুলে ধরতে হবে।

জাকিরুল ইসলাম জাকির আরো বলেন, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কঠোর আন্দোলন কর্সসূচির গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে স্বতন্ত্র কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে থাকবে ছাত্রদল।

তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন জেলা সফর করছি। সারা দেশের ১১৭টি ইউনিটের ৫৮০ জন কাউন্সিলরদের কাছে পৌছানোর চেস্টা করছি। ইতোমধ্যে অনেকের সাথে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে। তাদের মনে আমাকে ঘিরে অনেক প্রত্যাশা। আমি নির্বাচিত হলে,তাদের প্রত্যাশা অনুয়াযী কাজ করবো।

অন্য প্রার্থীরা হচ্ছেন, সভাপতি প্রার্থী ফজলুর রহমান খোকন, হাফিজুর রহমান, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, মো. এস এম সাজিদ হাসান বাবু, মাহমুদুল হাসান বাপ্পি, রিয়াদ মো. তানভীর রেজা রুবেল, মো. এরশাদ খান, এবিএম মাহমুদ আলম সরদার।

সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন, মো. আমিনুর রহমান আমিন, মো. জুয়েল হাওলাদার (সাইফ মাহমুদ জুয়েল), ডালিয়া রহমান, শেখ আবু তাহের, শাহ নাওয়াজ, মোহাম্মদ কারিমুল হাই (নাঈম), মাজেদুল ইসলাম রুমন, সাদিকুর রহমান, কে এম সাখাওয়াত হোসাইন, সিরাজুল ইসলাম, মো. হাসান (তানজিল হাসান), মুন্সি আনিসুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান শরিফ, শেখ মো. মশিউর রহমান রনি, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা, কাজী মাজহারুল ইসলাম ও মো. ইকবাল হোসেন শ্যামল।