শনিবার ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ সকাল ০৭:২৭:৩৪

Print Friendly and PDF

কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের উল্টো সুরে কথা বলছে চীন?


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশিত : রবিবার ৮ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ রাত ০৮:৪৯:৫৬, আপডেট : শনিবার ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ সকাল ০৭:২৭:৩৪,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫০ বার

পাকিস্তান, চীন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে পাকিস্তানের উল্টো সুরে কথা বলছে চীন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সমস্যাকে আন্তর্জাতিক বিষয় করে তুলতে চাইলেও চীন মনে করে এটি ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয়। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি তাদেরই মেটাতে হবে।

কলকাতার বাংলা সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এমন দাবিই করা হয়েছে।

ভারত ও চীনের উন্নয়নের রূপরেখা বিষয়ে শান্তিনিকেতনে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আসা চীনের কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ কিয়ান ফেং সরকারের এই অবস্থান ব্যাখ্যা করে আনন্দবাজারকে জানান, বেইজিং বরাবরই কাশ্মীর নিয়ে এই অবস্থান নিয়ে চলেছে। তিব্বত ও তাইওয়ানকে যেমন চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে স্বীকার করে দিল্লি।

পাকিস্তানে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার টিসিএ রাঘবন জানান, দু’দেশের মধ্যে একটি ‘বোঝাপড়া’ বহুদিন ধরেই চলছে। সেটা হল, তিব্বত ও তাইওয়ানের সমস্যাকে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মনে করে ভারত। আর কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থানকেও স্বীকৃতি দেয় চীন।

কাশ্মীর নিয়ে চীন তাহলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে সমর্থন দিল কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ইনস্টিটিউটের গবেষণা বিভাগের পরিচালক কিয়ান বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের উত্তেজনা মাত্রা ছাড়াক, প্রতিবেশী চীন কখনই তা চাইবে না। বিষয়টি দ্বিপাক্ষিক হলেও তাদের উত্তেজনা প্রশমনে আন্তর্জাতিক মহল সাহায্য করতে পারে। তবে নিরাপত্তা পরিষদের ওই বৈঠক ছিল ঘরোয়া এবং রুদ্ধদ্বার।’

কিয়ান জানান, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তারপরও উদ্বেগ ছিল বেজিংয়ের। কিন্তু ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর তাদের আশ্বস্ত করেছেন, নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং সীমান্তের কোনও পরিবর্তন হবে না।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা