মঙ্গলবার ২০শে আগস্ট ২০১৯ বিকাল ০৩:৩২:০৭

Print Friendly and PDF

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: নিহতদের অধিকাংশই বাংলাদেশি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশিত : রবিবার ১২ই মে ২০১৯ সকাল ০৯:৩২:৩৪, আপডেট : মঙ্গলবার ২০শে আগস্ট ২০১৯ বিকাল ০৩:৩২:০৭,
সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৮৬ বার

ফাইল ছবি

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট। সংস্থাটির বরাত দিয়ে খবরটি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলা জানিয়ছে, লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে গত বৃহস্পতিবার ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এতে ৬০ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট এখন পর্যন্ত ৩৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

তিউনিসিয়ার জেলেরা ১৬ জনকে উদ্ধার করে গতকাল শনিবার সকালে জারযিজ শহরের তীরে নিয়ে আসে। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীরা জানায়, ঠাণ্ডা সাগরের পানিতে তারা প্রায় আট ঘণ্টা ভেসে ছিল। উদ্ধার হওয়া ১৬ জনের ১৪ জনই বাংলাদেশি।

আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা এএফপি তাদের খবরে জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৭০ অভিবাসী। ১৬ জনকে উদ্ধার করেছে তিউনিসিয়ার জেলেরা। এদের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক।

তিউনিসিয়ার এজেন্স তিউনিস আফ্রিক প্রেসের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে লিবিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় জুয়ারা উপকূল থেকে একটি বড় নৌকায় ৭৫ অভিবাসী যাত্রা শুরু করে। পরে তাদের একটি ছোট নৌকায় তুলে দেওয়া হলে দুর্ঘটনা ঘটে। নৌকাটি শুক্রবার সকালে তিউনিসিয়ার উপকূলে ডুবে যায়। তিউনিসিয়ার জেলেরা ১৬ জনকে উদ্ধার করে জার্জিস উপকূলে নিয়ে আসে।

তিউনিসিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জার্জিসের রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তা মঙ্গি স্লিম বলেন, ছোট নৌকাটি ছিল মানুষে ভরা। যাত্রা শুরুর ১০ মিনিট পরেই সেটি ডুবে যায়। বেঁচে যাওয়া অভিবাসীরা বলেছেন, সাগরের শীতল পানিতে তারা ৮ ঘণ্টা সাঁতরেছেন। পরে তিউনিসিয়ার জেলেরা দেশটির কোস্টগার্ডকে খবর দেয়।

তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবার তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বেঁচে যাওয়া অভিবাসীরা বলেছেন, নৌকাটি ইতালির দিকে যাচ্ছিল। এতে শুধু পুরুষ অভিবাসী ছিল। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি ছিল ৫১ জন। এছাড়া তিন মিশরীয়, কয়েকজন মরক্কান, চাঁদ ও আফ্রিকার অন্যান্য দেশের মানুষ ছিল।

একটি শিশুসহ ১৪ বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় রেড ক্রিসেন্ট। সংস্থার কর্মকর্তা স্লিম বলেন, তিউনিসিয়ার জেলেরা তাদের দেখতে না পেলে একজনও বেঁচে থাকত না। এমনকি নৌকা ডুবির খবরই হয়তো কেউ জানত না।