ঢাবির হলে ছাত্রকে পেটানোর অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে
প্রকাশিত:
১০ নভেম্বর ২০২২ ০৪:১৭
আপডেট:
৩ এপ্রিল ২০২৫ ০৭:২৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের এক ছাত্রকে রড দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। তবে হল শাখা ছাত্রলীগের ওই নেতার দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করা হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বিজয় একাত্তর হলের যমুনা ব্লকে এ মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। অভিযোগকারী ছাত্রের ভাষ্য, হলের এক ব্লকের শিক্ষার্থীদের অন্য ব্লকে স্থানান্তর নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে তাঁকে মারধর করা হয়।
অভিযোগকারীর নাম রাসেল মাহমুদ। তিনি বাংলা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
অভিযুক্তের নাম মোনাফ প্রান্ত। তিনি একই শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র। তিনি বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য।
রাসেল মাহমুদ বলেছেন, তিনি মোনাফের বিরুদ্ধে হলের প্রাধ্যক্ষ বরাবর শিগগির লিখিত অভিযোগ দেবেন। রাসেল বলেন, হলের বড় ভাইদের (ছাত্রলীগ নেতা) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গতকাল রাত আটটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে এক ব্লকের শিক্ষার্থীদের অন্য ব্লকে স্থানান্তর করা হচ্ছিল। বিষয়টি তাঁর কক্ষের কেউ আগে থেকে জানতেন না। খবর পেয়ে তিনি তাঁর কক্ষে যান। কক্ষে যেতে তাঁর ১০ থেকে ১৫ মিনিট দেরি হয়। গিয়ে দেখেন, সহপাঠী মোনাফসহ কয়েকজন তাঁদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র কক্ষের বাইরে ফেলে রেখেছে। কারণ জানতে চাইলে মোনাফ তাঁকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে মোনাফ থামেন। এরপর তিনি নিজের জিনিসপত্র গোছাচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর তাঁর কক্ষের আরেকজন আসেন। তিনিও এসে দেখেন, তাঁর জিনিসপত্র কক্ষের বাইরে ফেলে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে রুমমেটের সঙ্গে মোনাফের কথা-কাটাকাটি হয়।
রাসেলের ভাষ্য, ‘হঠাৎ মোনাফ গালিগালাজ করে বলে ওঠেন, “সবগুলো একসঙ্গে বের হবি, নইলে খবর আছে, তাড়াতাড়ি রুম থেকে বের হ।” জবাবে আমি বলি, “খবর আছে মানে কী, তুই কী করবি?”’ এ কথা বলার পর মোনাফ হাতে থাকা রড দিয়ে তাঁর ওপর হামলা করে। তিনি মেঝেতে পড়ে যান। তাঁর শরীরে মারাত্মক আঘাত লাগে। পরে মোনাফ চলে গেলে রুমমেটরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি হন।
সম্পর্কিত বিষয়:
অভিযোগ
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: