বিয়েতে রাজি না হওয়ায় বাবা-মাকে অচেতন করে মেয়েকে ধর্ষণ
প্রকাশিত:
১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৮:১৯
আপডেট:
১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৮:২২

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীকে অচেতন করে মালামাল লুট এবং মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বিয়েতে রাজি না হওয়ার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী তরুণীকে আজ মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (সাউথ) মো. তাজুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে ৩ দুর্বৃত্ত ঘোলা গ্রামের একটি বাড়ির ছাদের গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। দুর্বৃত্তরা চেতনানাশক স্প্রে করে গৃহকর্তাকে ছাদের একটি কক্ষে অচেতন করে রাখে। নিচের একটি কক্ষেও চেতনানাশক স্প্রে করে গৃহকর্তা স্ত্রীকে অচেতন করে। পরে তার হাত-পা বেধে রান্নাঘরে ফেলে রাখে। এর পর তারা গৃহকর্তার মেয়েকে ধর্ষণ করে।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের পর দুর্বৃত্তরা ৬-৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৩ লাখ টাকাসহ কিছু মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দস্যুতা ও ধর্ষণের অভিযোগে হরিণটানা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোবিন্দ ফৌজদার নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য ২ জনকে আটকে অভিযান চালানো হচ্ছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক জানান, ফেসবুকে ওই মেয়েটির সঙ্গে এক যুবকের পরিচয় হয় এবং মেয়েটির সঙ্গে মাঝেমাঝে কথা বলত ওই যুবক। এরই মধ্যে অন্যত্র মেয়েটির বিয়ে ঠিক করেন তার বাবা-মা। এতে ওই যুবক ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটিকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দেয়। কিন্তু বিষয়টি মেয়ের বাবা পুলিশকে জানাননি। আগামী ২৯ ডিসেম্বর বিয়ের দিন নির্ধারণ করা হয়।
তিনি জানান, মেয়েটিকে ৩ যুবক ধর্ষণ করে। তারা সবাই মুখোশ পরা ছিল। এর মধ্যে একজন ধর্ষণের সময় বলে যে, প্রতারণার প্রতিশোধ নিচ্ছি। মেয়েটি কণ্ঠ শুনে তাকে চিনতে পারে। বাকিদের তিনি চিনতে পারেননি। অন্য ২ জন হয়তো তার বন্ধু।
সম্পর্কিত বিষয়:
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: