ঢাকা বুধবার, ৩রা মার্চ ২০২১, ১৯শে ফাল্গুন ১৪২৭


গ্রাহকের সোয়া ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ

ব্যাংক এশিয়া কর্মকর্তার জেল


প্রকাশিত:
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:৩১

আপডেট:
৩ মার্চ ২০২১ ২৩:২৮

ফাইল ছবি

গ্রাহকদের প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং আরও এক কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় ব্যাংক এশিয়ার দিলকুশা শাখার চাকরিচ্যুত নির্বাহী কর্মকর্তা সিলভিয়া আক্তার রিনিকে (৪৩) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কেএম ইমরুল কায়েশ কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। যদিও এদিন আসামি রিনি আদালতে কাছে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তার পক্ষে জামিন শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান। দুদকের পক্ষে মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধীতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৯ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন উপ-পরিচালক সৈয়দ তাহসিনুল হক। মামলার এজাহারে বলা হয়, সিলভিয়া আক্তার রিনি দিলকুশা শাখায় ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি সঞ্চয়পত্রের ৪৫৪টি লেনদেনের মাধ্যমে গ্রাহকদের সুদের মোট ৪ কোটি ৪৫ লাখ ৯৯ হাজার ৫২০ টাকা নগদ ও হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। এরমধ্যে ৪৩৭টি নগদ লেনদেনের মাধ্যমে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০ টাকা ও ১৭টি অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের মাধ্যমে এক কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ৬০০ টাকা অতিরিক্ত তুলে নেন। এরমধ্যে অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের টাকা দিলকুশা শাখা আদায় করতে সক্ষম হয়। কিন্তু নগদ তুলে নেওয়া অর্থ আদায় করতে পারেনি।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, হিসাব ও লেনদেনের অর্থ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সমুদয় অর্থ সিলভিয়া আক্তার রিনি একাই আত্মসাৎ করেন। বিল-ভাউচার অনুমোদনকারী হিসেবে ১২ জন কর্মকর্তা স্বাক্ষর করলেও প্রস্তুতকারী ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। ২০১৪ সালের থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আত্মসাতের টাকায় সিলভিয়া মোট আটবার বিদেশ সফর করেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top