ঢাকায় দাম কমেছে হাঁস-মুরগি-ডিমের
প্রকাশিত:
২০ এপ্রিল ২০২১ ২২:২১
আপডেট:
২০ এপ্রিল ২০২১ ২২:৩৭

রমজান মাসে ইফতার পণ্য, বিশেষ করে সবজির বাজারে যখন আগুন তখন খানিকটা স্বস্তি যেন হাঁস-মুরগি আর ডিমের বাজারে। লকডাউনের মধ্যেই কমেছে এসব পণ্যের দাম। বেচাকেনা কমে যাওয়াকেই এর কারণ বলছেন ব্যবসায়ীরা। তবে দেশি মুরগির দাম বেড়েই চলেছ।
সারি সারি খাঁচায় নিজেদের মধ্যে খুনসুঁটি আর প্রভাব বিস্তারের চঞ্চলতায় বাজারে উপস্থিতি জানান দিচ্ছে সোনালী ও দেশি মুরগিগুলো।
কয়েক দিনের ব্যবধানে দেশি মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ঠিক একই পরিমাণ দাম কমেছে সোনালীর।
লকডাউনের আগে যখন দফায় দফায় বাড়ছিল ব্রয়লারের দাম তখন করোনা মোকাবিলার বিশেষ এ সময়ে চাহিদা কমায় কেজিতে প্রায় ২০ টাকা কমেছে প্রতিকেজি ব্রয়লারের দাম। রাজধানীর কারওয়ানবাজারের বিক্রেতারা জানান, বছরজুড়ে প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে কবুতরের বাচ্চা।
বাজারে দাম কমেছে সব ধরনের ডিমেরও। যোগান ঠিক থাকলেও কমেছে বিক্রি তাই দাম পড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।
একে তো গরম তার ওপর বাজারে ক্রেতা কম তাই হাঁসের দামও কমেছে। প্রতিটি হাঁসে দাম কমেছে ৫০ টাকার বেশি, বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার শ' টাকার মধ্যে।
এদিকে, চলমান লকডাউন এক সপ্তাহ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ লকডাউন বহাল থাকবে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় লকডাউনে আন্তর্জাতিক বিশেষ ফ্লাইট চলাচল, ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ আগের সব বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।
সোমবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিবদের সভায় করোনার ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে চলমান লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।
আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান লকডাউন অব্যাহত থাকবে সোমবার এ কথা জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ২২ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত আগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক লকডাউনের বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে সবাইকে।
সম্পর্কিত বিষয়:
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: