চাঁদখালী হাইস্কুলে
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্তের নির্দেশ শিক্ষাবোর্ডের
প্রকাশিত:
৬ অক্টোবর ২০২১ ১৭:২৯
আপডেট:
১৫ অক্টোবর ২০২১ ০৫:২৮

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চাঁদখালীর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গাজী হুমায়ুন কবিরের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছে কুমিল্লা বোর্ডের উপ পরিচালক তরিকুল ইসলাম।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন অভিভবাকদের পক্ষে মনির হোসেনের অভিযোগ পত্রের ভিত্তিতে এই তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছে শিক্ষাবোর্ড।
মনির হোসেন তার অভিযোগ পত্রে উল্ল্যেখ করেন, প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ অবসরে যায়। কিন্তু পুনরায় তাকে ৫ বছর চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে অধিদপ্তরে আবেদন পাঠালে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এলাকাবাসী ও অভিভাবকবৃন্দ।
তার বিরুদ্ধে এলাকায় কে বা কারা নানা অভিযোগ তুলে বিভিন্ন স্থানে লিফলেট লাগায়। স্কুলের অর্থ আত্মস্বাদসহ নানা অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় বিভিন্ন সময় এলাকাবাসীর রোশানলে পরেন তিনি। স্কুলকে তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেবে টাকা কামাতেন। তিনি অবসরে গেলেও আজ পর্যন্ত স্কুলের চাবি, হিসাব নিকাশসহ নানা গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিজে হস্তগত রেখেন।
অভিযোগ পত্রে আরো উল্ল্যেখ করা হয়, তথ্য গোপন করে ২০০৫ সালে হুমায়ুন কবির প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রাপ্ত হন। অথচ প্রধান শিক্ষক হওয়ার জন্য যে সকল যোগ্যতা/শর্ত পূরন করতে হয় অধিকাংশই তার ছিল না। এর মধ্যে উল্ল্যখযোগ্য হচ্ছে প্রধান শিক্ষক হওয়ার আগে সহ প্রধান হিসাবে কাজের অভিজ্ঞতা। যা তাহার এক দিনও ছিল না। তার ২টা ৩য় বিভাগ, যার কারনে তিনি কখনই প্রধান শিক্ষকের জন্য আবেদন করতে পারেন না।
তাছাড়া ২০১৭ সালে মিনিষ্ট্রির অডিটেও তার নিয়োগ পরীক্ষার দূর্নিতির কথা উল্ল্যেখ করা হয়। এধরনের নানা অভিযোগ এনে তদন্ত সাপেক্ষে হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করে মনির হোসেন।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: