ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ই আশ্বিন ১৪২৭


এমপি পাপুল কুয়েতের কারাগারে


প্রকাশিত:
৮ জুন ২০২০ ২০:১৬

আপডেট:
১৫ জুন ২০২০ ১৩:২০

লক্ষ্মীপুর–২ আসনের এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল। ফাইল ছবি।

কুয়েতে মানবপাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আটক লক্ষ্মীপুর–২ আসনের এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে কারাগারে পাঠিয়েছে দেশটির আদালত।

গতকাল রোববার ৭ জুন দেশটির ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে আটকের পর কোর্টে উপস্থাপন করে। কোর্ট তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ আমলে নিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দূতাবাস ও কুয়েতস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির বরাতে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম বলেছেন, তাঁকে কেন আটক করা হয়েছে তা জানতে রোববারই দূতাবাসের তরফে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। কিন্তু সোমবার বিকাল পর্যন্ত সেই চিঠির জবাব আসেনি। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে বিকাল ৪টায় সব কিছু বন্ধ হয়ে যায়। তার ধারণা এ কারণে জবাব পেতে হয়তো দেরি হচ্ছে।

রোববার সংবাদমাধ্যমে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন কুয়েতে এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল আটকের ঘটনাকে 'লজ্জাজনক' ও 'দুর্ভাগ্যজনক' বলে মন্তব্য করেন। সহকর্মী সাংসদের আটকের ঘটনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে লজ্জিত বলেও অনুতাপ করেন। তাঁর মতে, মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে সারা বিশ্ব যখন কঠোর অবস্থান নিয়েছে, এমন সময়ে সাংসদের আটকের খবর অনভিপ্রেত।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতে কুয়েতের আরবি দৈনিক আল কাবাস ও আরব টাইমস বাংলাদেশের এক সাংসদসহ তিন মানব পাচারকারীর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কুয়েতের সিআইডির বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছিল, স্বতন্ত্র এই সাংসদসহ তিনজনের ওই চক্র অন্তত ২০ হাজার বাংলাদেশিকে কুয়েতে পাঠিয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা আয় করেছে। কুয়েতের গণমাধ্যমগুলো অভিযুক্ত সাংসদের নাম প্রচার করেনি।

এদিকে কুয়েত ও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে সাংসদ কাজী শহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুদক। কিন্তু করোনার কারণে দুদকের সেই তদন্ত আজও আলোর মুখ দেখনি।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top