ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ই আশ্বিন ১৪২৭


স্ত্রী কন্যা শ্যালিকাসহ পাপুলের তথ্য চেয়ে দুদকের চিঠি


প্রকাশিত:
১১ জুন ২০২০ ১০:২২

আপডেট:
১৫ জুন ২০২০ ১৩:২০

কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল ও তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম। ফাইল ছবি

হঠাৎ বিদেশ থেকে উড়ে এসেই হয়ে গেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য। শুধু কী তাই! শখ পূরণ করতে একই পথে স্ত্রীকেও সংসদে এনেছেন এমপি সাহেব। ‘দলবিহীন’ স্বামী-স্ত্রী এমপি হতে অবশ্য ‘কোটি-কোটি’ টাকা লগ্নি করতে হয়েছে বলে শুরু থেকেই আলোচনা ছিল। সৌভাগ্যবান এই দম্পতি হলেন- লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল ও তাঁর স্ত্রী সেলিনা ইসলাম সিআইপি।

কুয়েতে অর্থ ও মানব পাচার মামলায় অভিযুক্ত হয়ে পুলিশের হাতে আটক ও রিমান্ডে থাকা বাংলাদেশের আইন প্রণেতা পাপুল এখন বিশ্ব মিডিয়ায় আলোচিত। গত ফেব্রুয়ারি মাসে পাপুলের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, হুন্ডি ব্যবসা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। এরই ধারাবাহিকতায় পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিন প্রধানসহ কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিশেষ দূত মারফত পাঠানো চিঠি গ্রহণ করেছেন পাপুলের স্ত্রী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গতকাল বুধবার দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের চিঠি দেওয়া হয়নি বরং বিভিন্ন তথ্য চেয়ে অনুসন্ধান কর্মকর্তা কমিশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন চিঠি দিয়েছেন।

দুদক সূত্র জানায়, পাপুল, তার স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকার বিস্তারিত নাম-ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট নম্বরসহ যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, পরিবর্তিত ও অপরিবর্তিত ঠিকানা দিতে বলা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, হুন্ডি ব্যবসা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

গত শনিবার রাতে কুয়েতের মুশরিফ আবাসিক এলাকার বাসা থেকে পাপুলকে গ্রেফতার করে কুয়েত সিআইডি। রবিবার তাকে আদালতে হাজির করে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। সোমবার তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় কুয়েতের আদালত। কুয়েতে মুদ্রা ও মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে কুয়েতি আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন তারই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী ৫ বাংলাদেশি। সাক্ষীদের সবাইকে কুয়েতে নিয়েছিলেন পাপুল। কুয়েতি আদালতকে তারা বলেন, ‘কুয়েত আসার জন্য তারা পাপুলকে তিন হাজার কুয়েতি দিনার করে দিয়েছেন। এ ছাড়া প্রতি বছর আকামা নবায়নের জন্য দিয়েছেন ৩০০ দিনার বা তারও বেশি।’



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top