ছেলে না মেয়ে দেখতে স্ত্রীর পেট কাটলেন স্বামী
প্রকাশিত:
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৩:৫৩
আপডেট:
৩ এপ্রিল ২০২৫ ০৬:০১

অনাগত সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে তা জানতে ভারতে এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর পেট কেটে ফেললে শিশুটি মারা যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ জানায়, ওই নারীর পরিবার তাদের কাছে এমন অভিযোগই করেছে। এ দম্পতির পাঁচটি মেয়ে সন্তান আছে। তাই ওই নারীর স্বামী একটি ছেলের জন্ম দেওয়ার জন্য তাকে নানাভাবে চাপ দিচ্ছিলেন।
পেট কাটার ঘটনায় মারা যাওয়া শিশুটি ছেলে ছিল। বিবিসি জানায়, পুলিশ ওই নারীর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি পুলিশের কাছে ইচ্ছা করে অন্তঃস্বত্তা স্ত্রীর পেটে আঘাত করার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, দুর্ঘটনাবশত তার হাতের কাস্তে স্ত্রীর পেটে লেগে যায়।
তার ভাষ্য, ‘‘আমার পাঁচ মেয়ে। আমার একটা ছেলে মরে গেল। আমি জানি সে ঈশ্বরের আশীর্বাদ ছিল। এখন যা হওয়ার তাই হবে।”
ভারতের উত্তর প্রদেশের বদায়ুঁ জেলায় এ ঘটনা ঘটে। আহত নারীকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে রোববার তাকে রাজধানী দিল্লির একট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তার ভাই। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
ওই নারীর বোন স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এ দম্পতি প্রায়ই পুত্র সন্তান হওয়া নিয়ে ঝগড়া করত। কাস্তের আঘাতে মারা যাওয়া সন্তানটি ছেলে ছিল।
পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
ভারতীয় সমাজে মেয়ের তুলনায় ছেলে কাঙ্খিত হওয়ার কারণে নারী-পুরুষের অনুপাতে ফারাক দেখা দিচ্ছে৷ দেশটিতে গর্ভপাত ঘটিয়ে বছরে প্রায় ৪৬০,০০০ কন্যা হত্যা করা হয়।
সম্পর্কিত বিষয়:
ভারত
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: