ঢাকা বুধবার, ২৮শে জুলাই ২০২১, ১৩ই শ্রাবণ ১৪২৮


দুঃস্বপ্ন এড়াতে যা করবেন


প্রকাশিত:
২২ জুন ২০২১ ১০:২১

আপডেট:
২৮ জুলাই ২০২১ ১৩:৩৬

প্রতীকী ছবি

দুঃস্বপ্ন দেখে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়ার ভয়ে ঘুমটাই অসহনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে? আধুনিক লাইফস্টাইলের কারণে অনেকেই এখন এই সমস্যায় ভুগছেন।

ঠিক কেন এই সমস্যা হচ্ছে এবং দুঃস্বপ্ন এড়াতে চাইলে কী করা উচিত জেনে নিন-

উৎকণ্ঠা কাটিয়ে উঠুন: উৎকণ্ঠা, অবসাদ, স্লিপ প্যারালিসিস, পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার, স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো ডিজঅর্ডারে ভুগলে আমরা দুঃস্বপ্ন দেখি। যদি আপনি দীর্ঘদিন এই ধরনের সমস্যায় ভুগতে থাকেন এবং নিয়মিত দুঃস্বপ্ন দেখার প্রবণতা থাকে তাহলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। অনেক আধুনিক থেরাপির সাহায্যে এই সমস্যা সারিয়ে তোলা যায় ।

রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খান: ছোটবেলায় বাবা, মায়েরা আমাদের তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে নেওয়ার অভ্যাস করাতেন। বড় হয়ে সেই অভ্যাস আমরা অনেকেই মেনে চলি না। যখনই আমরা খাবার খাই তখনই আমাদের হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। মেটাবলিজম রেট বেড়ে যায়। ঘুমনোর ঠিক আগে খাবার খেলে শরীর ও মস্তিষ্ক সজাগ হয়ে ওঠে। ফলে টানা ঘুমে সমস্যা হয় যা অনেক সময় দুঃস্বপ্নের কারণ হয়ে ওঠে।

মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন: সারাদিনের মানসিক চাপে ক্লান্তি যদি খুব বেড়ে যায় তাহলে ঘুমের সমস্যা হয়। মানসিক চাপের কারণে দুঃস্বপ্ন দেখা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। মানসিক চাপ কাটাতে ঘুমনোর আগে হালকা যোগাভ্যাস করলে বা কুসুম গরম পানিতে গোসল করলে এ সমস্যা দূর হবে।

প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান: ভাল ঘুম হলে কখনই দুঃস্বপ্ন দেখবেন না। বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার কারণে দুঃস্বপ্ন দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে জোর দিতে হবে ঘুমের মান বাড়ানোর দিকে। প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা অবশ্যই ঘুমান। আরামদায়ক বিছানা, অন্ধকার ঘরে ঘুমানো অভ্যাস করুন। ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, নিকোটিনের অভ্যাস থাকলে বাদ দিন। সপ্তাহে ৩-৫ দিন এক্সারসাইজ করতে পারলে ভাল।

ইমেজারি রিহার্সাল ট্রিটমেন্ট: দুঃস্বপ্ন দূর করতে খুবই কার্যকর ইমেজারি রিহার্সাল ট্রিটমেন্ট (আইআরটি)। অনেক থেরাপিস্ট এই পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে যে দুঃস্বপ্ন বারবার দেখছেন তার শেষ বদলে দিয়ে ভাল কিছু কল্পনা করতে বলা হয়। তারপর নতুন সেই স্বপ্ন কাগজে লিখে রাখতে বলা হয়। নিয়মিত কী স্বপ্ন দেখছেন, কীভাবে কমছে দুঃস্বপ্নের প্রকোপ তা মনিটরও করা হয়। কোনো থেরাপিস্টের সাহায্যে বা নিজেও এই পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top