শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ার লক্ষণ
প্রকাশিত:
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:১৪
আপডেট:
৩ এপ্রিল ২০২৫ ১৯:২৫

মানুষের খাদ্যাভ্যাসের কারণে শরীরে কোলেস্টেরল বা চর্বি বেড়ে যায়। আবার বেশি শুয়ে বসে থাকা, ধূমপান, মদ্যপান, জর্দা সেবনের কারণেও কোলেস্টেরল বাড়তে পারে। এর ফলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগ সহজেই শরীরে বাসা বাঁধে।
কোলেস্টেরল কয়েক ধরনের হয়ে থাকে ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল, এইচডিএল এবং টোটাল কোলেস্টরল। এর মধ্যে একটা হলো উপকারী। আর তিনটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এই কোলেস্টেরল মাত্রা বেড়ে গিয়ে জমা হয় রক্তনালিতে। জমা হতে হতে রক্তনালির স্বাভাবিক যে রক্তস্রোত তা বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে রাশ টেনে সুশৃঙ্খলিত জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি সঠিক ডায়েট লিস্ট অনুসরণ করে সহজেই শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তবে তার আগে জানতে হবে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার লক্ষণগুলো সম্পর্কে।
আসুন জেনে নিই লক্ষণগুলো-
১. কোলেস্টেরল খুব বেড়ে গেলে পায়ের টেন্ডন লিগামেন্টগুলোতে প্রভাব পড়ে। এ ক্ষেত্রে পায়ের ধমনিগুলো সরু হয়ে গেলে পায়ের নিচের অংশ অনেকটা অক্সিজেনসহ রক্ত পৌঁছাতে পারে না। তাতে পা ভারী হয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে সহজেই। পায়ের অসম্ভব যন্ত্রণা শুরু হয়। উরু বা হাঁটুর নিচে পেছনের দিকে ব্যথা হতে পারে। হাঁটার সময় এই ধরনের ব্যথা বাড়ে।
২. একই কারণে ঘাড় ও হাতের সংযোগস্থলেও ব্যথা হয়। মাঝেমাঝে এমন ব্যথায় আমরা নাজেহাল হই। খুব ঘন ঘন একই স্থানে ব্যথা হলে একটু সতর্ক থাকুন।
৩. নিতম্বেও ব্যথা হওয়া উচ্চ কোলেস্টেরলের লক্ষণ হতে পারে। যদি মাঝে মাঝেই নিতম্বে ব্যথা হয় তা হলে কিন্তু সেই লক্ষণ ভালো নয়। এই সব লক্ষণ দেখা দিলে একবার রক্ত পরীক্ষা করে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।
৪. রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে অনেক সময় রক্তনালি আটকে যায়। তখন মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে বাধা পড়ে। এতে ঘাড় ও মাথার পেছনে ভীষণ ব্যথা হয়। শুধু মাথায় নয়, ঘাড়েও অস্বস্তিকর ব্যথা হয়।
সম্পর্কিত বিষয়:
শরীর
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: