সাধারণ ৪টি পুষ্টিহীনতার লক্ষণ
প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:৪১
আপডেট:
৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০২:০৮

শরীর সুস্থ রাখতে নানা রকম ভিটামিন ও খনিজের প্রয়োজন হয়। এগুলোর অভাবে দেহে নানা রকমের সমস্যাও দেখা দেয়।
স্বাস্থ্য-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পুষ্টি ইয়পাদান সম্পর্কে ধারণ ও তার অভাব এবং ঘাটতি পূরণ করার উপায় সম্পর্কে জানানো হল।
লৌহের ঘাটতি
রক্ত শূন্যতার অন্যতম কারণ হল লৌহ। লৌহ শরীরে লোহিত রক্ত কণিকা বাড়ায়। এই খনিজের ঘাটতি কোষ ক্ষুদ্র ও দুর্বল করে ফেলে। এই কোষগুলো অঙ্গ প্রতঙ্গে অক্সিজেনের সরবরাহ করতে পারে না। ফলে খুব বেশি লৌহের ঘাটতি দুর্বলতা ও অবসাদ সৃষ্টি করে।
উপকারী খাবার: গাঢ় সবুজ শাক। ডিমের কুসুম। মাংস।
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি’য়ের ঘাটতি
হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখতে ও সুগঠনে ক্যালসিয়াম সহায়তা করে। শরীরে ক্যালসিয়মের মাত্রা ঠিক রাখার পাশাপাশি হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখতে ভিটামিন ডি সহায়তা করে। আর ক্যালসিয়াম হৃদযন্ত্র, স্নায়ু ও পেশি সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি’র অভাবে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি ঘটতে পারে। যেমন- হাড় ক্ষয় রোগ। ক্যালসিয়ামের স্বল্পতা কারণে হতে পারে অনিয়মিত হৃদগতি ও খিঁচুনি।
ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার: দুধ-জাতীয় খাবার। সিরিয়াল বা শস্য-জাতীয় খাবার। সবুজ সবজি যেমন- ব্রকলি ও কপি।
ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার: মাশরু। ডিমের কুসুম। ফ্যাটি অ্যাসিড। মাছের যকৃতের তেল।
সূর্যালোক ভিটামিন ডি’র সবচেয়ে ভালো উৎস। প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচ মিনিট সকালে সূর্যের আলোতে থাকা উপকারী।
ভিটামিন বি’র স্বল্পতা
শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে ভিটামিন বি উপকারী। ভিটামিন বি’র স্বল্পতা শারীরিক দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা, ত্বকের র্যাশ ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী।
ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার
গাঢ় সবুজ শাক। বিট রুট। আলু। অ্যাভাকাডো। কলা। শষ্য-জাতীয় খাবার। দুধ-জাতীয় খাবার। ডিম। মাংস। মাছ।
ভিটামিন এ’র ঘাটতি
চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এ ত্বক, হাড়, দাঁত ও কোষের মেম্ব্রেন গঠনে সাহায্য করে। এই ভিটামিন মূলত চোখ সুস্থ রাখতে ও দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ভিটামিন এ’র অভাবে চোখের সাময়িক বা স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও এটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল করে ফেলে।
মাংস, দুধ-জাতীয় খাবার, শাক সবজি ইত্যাদির ভিটামিন এ বিটা ক্যারোটিন রূপে থাকে।
উপকারী খাবার: গাঢ় সবুজ শাক। রঙিন সবজি ও ফল যেমন- মিষ্টি আলু, গাজর, পেঁপে, আম ইত্যাদি, দুধ-জাতীয় খাবার, মাছ ও মাংসের তেল।
সম্পর্কিত বিষয়:
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: