ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা মার্চ ২০২১, ১৯শে ফাল্গুন ১৪২৭


পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ


প্রকাশিত:
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৯:৫৭

আপডেট:
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১০:৩১

ফাইল ছবি

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পঞ্চগড়ে সীমান্ত থেকে জেলা পুলিশের ওমর ফারুক (২৪) নামের এক সদস্যকে ধরে নিয়ে গেছে ।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় জেলার সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের মোমিনপাড়া সীমান্ত থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।

ওমর ফারুক একজন কনস্টেবল। তিনি পঞ্চগড় আদালতে বিচারকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। ফারুকের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়। তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে পুলিশ ও বিজিবি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

স্থানীয়রা জানায়, রোববার রাত সাড়ে ৮টায় পুলিশ কনস্টেবল ওমর ফারুকসহ তিনজন পঞ্চগড় সদর উপজেলার মোমিনপাড়া সীমান্ত এলাকায় যান। এ সময় কয়েকজন ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে তাদের তর্ক হয়। একপর্যায়ে তারা ওমর ফারুককে আটক করে মারধর করে। অপর দুজন পালিয়ে যান। পরে ভারতীয় চানাকিয়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা এসে ফারুককে আটক করে নিয়ে যায়।

এদিকে, পুলিশ সদস্য ফারুকসহ অন্যরা কেন সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলেন, আর কী কারণে ভারতীয়দের সঙ্গে তর্কে জড়ান; সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি বিজিবি।

ঘটনাস্থল এলাকার বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম জানান, ভারতীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, পুলিশ সদস্য ফারুকসহ অন্যরা ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় মাদক দ্রব্য আনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাকিতে মাদক দিতে ভারতীয়রা অস্বীকার করলে সেখানকার এক মাদক ব্যবসায়ীকে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসা হয়। এ সময় ভারতীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ধাওয়া করে ওমর ফারুককে আটক করে। কিন্তু বাকি দুজন পালিয়ে যান। পরে চানাকিয়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা এসে তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়।

ঘটনার ব্যাপারে জানতে ৫৬ বিজিবির অধিনায়কের মোবাইল নম্বরে বারবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে পঞ্চগড় বিজিবির ঘাগড়া ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে বিজিবি।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আক্কাছ আহমদ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই পুলিশ সদস্য আদালতে বিচারকদের নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তার ব্যবহৃত মোটরসাইলেকটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। তার সাথে আরও দুজন ছিলেন বলে আমরা শুনেছি। তবে কারা ছিলেন এবং কেন সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলেন-এ বিষয়ে আমরা এখনো নিশ্চিত না। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top