ঢাকা শুক্রবার, ১০ই জুলাই ২০২০, ২৭শে আষাঢ় ১৪২৭


একদিনেই ২ হাজার ২৯ জন আক্রান্ত

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড


প্রকাশিত:
২৮ মে ২০২০ ১৫:৪১

আপডেট:
১০ জুলাই ২০২০ ১৮:২৫

ফাইল ছবি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই হাজার ২৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ শনাক্ত। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৪০ হাজার ৩২১ জন করোনা শনাক্ত হলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৫৯ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫০০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন আট হাজার ৪২৫ জন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বেলা আড়াইটায় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি নতুন একটিসহ মোট ৪৯টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় নয় হাজার ২৬৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আগের কিছু মিলিয়ে নয় হাজার ৩১০টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে আরও দুই হাজার ২৯ জনের দেহে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ৩২১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ১৫ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫৯ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৫০০ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল আট হাজার ৪২৫ জনে।

নতুন করে যারা মারা গেছেন, তাদের ১১ জন পুরুষ, চারজন নারী। সাতজন ঢাকা বিভাগের, আটজন চট্টগ্রাম বিভাগের। এলাকাভেদে ঢাকা শহরের ছয়জন, নারায়ণগঞ্জের একজন, চট্টগ্রাম শহরের দুজন, চট্টগ্রাম জেলার দুজন, কক্সবাজারের দুজন ও কুমিল্লার দুজন রয়েছেন। বয়সের দিক থেকে ত্রিশোর্ধ্ব দুজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব পাঁচজন, ষাটোর্ধ্ব পাঁচজন, সত্তরোর্ধ্ব দুজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের একজন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৭৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর শনাক্তের তুলনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৯ শতাংশ।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ২৪৮ জনকে এবং ছাড়া পেয়েছেন ১৩৮ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন চার হাজার ৯৮৪ জন। মোট আইসোলেশন শয্যা ১৩ হাজার ২৮৪টি। আর ঢাকা মহানগরীতে সাত হাজার ২৫০টি এবং ঢাকা সিটির বাইরে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ছয় হাজার ৩৪টি শয্যা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এ সব হাসপাতালে আইসিইউ এর সংখ্যা ৩৯৯টি এবং ডায়ালাইসিস ইউনিট ১০৬টি।

বরাবরের মতোই ডা. নাসিমা করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান বুলেটিনে।

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


সময়নিউজ ডট নেট
১৪৭/১, মীর হাজীরবাগ মেইন রোড (৬ষ্ঠ তলা) গেন্ডারিয়া, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২
ইমেইল : [email protected]; [email protected]
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Top