ইউক্রেনের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে রুশ বাহিনীর হামলায় দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে ওই অঞ্চলে রাশিয়ার অগ্রগতি থামাতে পাল্টা হামলা শুরু করে কিয়েভ। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ নিয়মিত আপডেটে জানিয়েছেন, ক্রামতোর্স্ক ও ডিনিপ্রোসহ ৩০টির বেশি জনবসতি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিমান হামলার শিকার হয়েছে। তাছাড়া খারকিভ ও ক্রেমেনচুকের অন্তত দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে।
ইউক্রেনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রিজেট ব্রিঙ্ক এক টুইট বার্তায় ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের চেষ্টা করার জন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেছেন।
এর আগে ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহরের নিয়ন্ত্রণ হারায় রাশিয়া। গত শনিবার এসব শহরের মূল ঘাঁটি ত্যাগ করে রুশ সেনারা। ইউক্রেনীয় বাহিনী দ্রুত অগ্রসর হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে মস্কোর আকস্মিক পতন ঘটে। এরপরই প্রতিশোধ নিতে পাল্টা হামলা শুরু করেছে রাশিয়া।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। আর গত কয়েক মাসে মস্কোর জন্য এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ পতন বলা যায়। ৬ মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে এটি নতুন মোড় নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসার আশা মস্কো কখনও পরিত্যাগ করেনি। তবে রাশিয়া বিশ্বাস করে, আলোচনায় বসতে যত দেরি হবে তা থেকে সুফল পাওয়া তত বেশি দুরূহ হয়ে পড়বে। রাশিয়ার একটি নিউজ চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।