বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ই আশ্বিন ১৪২৮


রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করুন


প্রকাশিত:
১০ আগস্ট ২০২১ ১১:৩৭

আপডেট:
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:৫৩

সংবাদমাধ্যম থেকে জানা তথ্য মতে, মাসখানেক আগে বিশ্বব্যাংক পৃথিবীর ১৬টি দেশে অবস্থানরত শরণার্থীদের আশ্রয়দাতা দেশে নাগরিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করাসহ তাদের ব্যবস্থাপনার জন্য একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাবসংবলিত ‘রিফিউজি পলিসি রিফর্ম ফ্রেমওয়ার্ক’ নামে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি ছাড়াও সেখানে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, কর্মে নিয়োগ, চলাফেরা, জায়গাজমি ক্রয়, শিক্ষা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বিষয়ক সব আইনি অধিকার প্রদানের কথা উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া সংস্থাটি তাদের দুই হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে রোহিঙ্গাদের সহায়তারও আশ্বাস দিয়েছে। অত্যন্ত যৌক্তিক কারণেই বাংলাদেশ সরকার বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবিত ওই রূপরেখা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ জন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাতেই হয়।

গত ২ আগস্ট রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা শরণার্থী নয়, তারা মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিক এবং বাংলাদেশ তাদের এই দুর্দিনে পাশে দাঁড়িয়েছে, সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে মিয়ানমারও তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছে এবং তারা অবশ্যই স্বদেশে ফিরে যাবে। বিশ্বব্যাংকের ওই প্রতিবেদন সম্পর্কে তিনি যুক্তিসংগতভাবেই বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনের সঙ্গে বাংলাদেশের চিন্তা-ভাবনার মোটেও মিল নেই। বিশ্বব্যাংক বলেছে, এদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য রিইন্টিগ্রেট করতে হবে সমাজের সঙ্গে। আমরা বলেছি, তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য তাদেরকেও তাদের দেশে ফেরত যেতে হবে। এটাই একমাত্র বিষয়। আপনারা সে ব্যাপারে কাজ করেন।’

কোনো শরণার্থী বা বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিকে নাগরিক হিসেবে গ্রহণের বিষয়টি বোধ হয় আশ্রয় দেওয়া দেশের ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করে। শরণার্থীদের কথাই বলছি কেন, কোনো দেশের একজন নাগরিকও যদি অন্য একটি দেশের নাগরিকত্ব পেতে ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে তা ওই কাঙ্ক্ষিত দেশের এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে। জোর করে চাপিয়ে দিতে পারে না। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ বা সংস্থার এখতিয়ার আছে বলে মনে হয় না। এ ধরনের মনোভাব বা চিন্তা-চেতনা একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানো হয়ে যায় না তো? বিষয়টি কেমন যেন অপরিপক্ব মস্তিষ্কের প্রতিফলন বলে মনে হয়।

এ প্রসঙ্গে আমি ৩০-৪০ বছর আগে ঘটে যাওয়া নেপালে আশ্রয় নেওয়া নেপালি-ভুটানি (লোথসাম্পা বা দক্ষিণ ভুটানের অধিবাসী) শরণার্থীদের প্রসঙ্গটি উল্লেখ করতে চাই। ওই নেপালি-ভুটানিদের রাজনৈতিকসহ অন্যান্য কারণে ১৯৮০-র দশকের শেষ দিকে এবং ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে ভুটান থেকে বিতাড়িত করা হয়। তারা লক্ষাধিক নেপালের সাতটি শিবিরে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়। তাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষরসহ দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে বহুবার; কিন্তু সংকটটির কোনো কার্যকর সমাধান সম্ভব হয়নি। তারা ভুটানে প্রত্যাবর্তন করতে পারেনি। এ অবস্থায় ২০০০ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এই শরণার্থীদের তৃতীয় দেশে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এই শরণার্থীদের বড় অংশটি গ্রহণ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাকিদের নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ইত্যাদি দেশ। ওই সমস্যাটি কাটিয়ে উঠতে ২০ বছরেরও বেশি সময় লেগেছিল, কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে কখনো নেপালি অরিজিন হওয়া সত্ত্বেও তাদের নেপালের নাগরিক হিসেবে রিইন্টিগ্রেট করার এমন কোনো উদ্ভট প্রস্তাব জাতিসংঘের কোনো অঙ্গ সংস্থা বা কোনো দেশের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত হয়নি।

বিশ্বব্যাংকের এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আন্দাজ করা যায় যে জাতিসংঘ হয়তো মনে করছে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়া কখনো সম্ভব হবে না। অর্থাৎ মিয়ানমার সরকারকে কোনো চাপ সৃষ্টি করেও রোহিঙ্গাদের গ্রহণ করাতে সম্মত করানো যাবে না। সে অবস্থায় রোহিঙ্গাদের যদি বাংলাদেশেই থাকতে হয়, তাহলে বাংলাদেশেই তাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করা গেলে মন্দ কী। বাংলাদেশের মানবিকতার প্রতি দুর্বলতাকে আশ্রয় করে একটা টোপ ফেলে দেখা যাক না। প্রয়োজন হলে কিছু টাকা-পয়সা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও না হয় থাকল। অর্থ তো এমনিতেই দিতে হচ্ছে। এটা করা গেলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে আর কোনো ঝুটঝামেলা থাকবে না। বাহ, কী অদ্ভুত চিন্তা! বিষয়টা যে এত সহজ হবে না তা বিশ্বব্যাংকের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের ভাবা উচিত ছিল।

বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাংক যে প্রস্তাবগুলো দিয়েছে তাঁর মধ্যে রয়েছে—শরণার্থীদের নাগরিকত্ব, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, কর্মে নিয়োগ, চলাফেরা, জায়গাজমি ক্রয়, শিক্ষা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি বিষয়ক আইনি অধিকার প্রদান করা। বিশ্বব্যাংকের অজানা নয় যে মাত্র এক লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকাবিশিষ্ট এই দেশটির জনসংখ্যা ১৬০ মিলিয়নেরও বেশি। মানুষ ছাড়া দেশটির তেমন কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নেই। এত মানুষের বসবাসের সংকুলানের পর যে জমি চাষাবাদের জন্য রয়েছে তা জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সংকুচিত হয়ে আসছে। দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থানের তীব্র সমস্যা বিদ্যমান। এ অবস্থায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশিকে বিদেশে কাজ করতে যেতে হচ্ছে। মোটকথা কঠোর পরিশ্রম, আত্মপ্রত্যয় আর ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে দেশটিকে তারা উন্নতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সেই অবস্থায় কোনো মানসিকতায় এমন এক উদ্ভট ও অযৌক্তিক চিন্তা বিশ্বব্যাংকের মতো এমন একটা আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে তা আমাদের অবশ্যই ভাবিয়ে তোলে।

বিশ্বব্যাংকের এ ধরনের চিন্তা-ভাবনা আর কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর পাঁয়তারা নয় তো? তাদের কি এমন এখতিয়ার আছে যে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আত্তীকরণের কথা বলতে পারে? ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে এ দেশের নাগরিক হিসেবে পুনর্বাসন করার মতো ক্ষমতা কি বাংলাদেশের আছে? এ দেশের জনগণ কি তা মেনে নেবে? জনসংখ্যার বিরাট বোঝা ছাড়াও ছোট্ট আয়তনের এ দেশটি কত যে সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা জানা সত্ত্বেও বিশ্বব্যাংক কিভাবে এ ধরনের প্রস্তাব দিতে পারে? আর এই যে অর্থের লোভ দেখানো হচ্ছে, তাতে কি বাংলাদেশ পটে যাবে? কারো সন্দেহ থাকা ঠিক হবে না যে বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে।

বিশ্বব্যাংকের এই প্রস্তাবের পেছনে কী কারণ রয়েছে জানি না। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর ইস্যু বটে। তাই ভাবনা এসে যায়। শুধু বিপদগ্রস্ত্ত বা বাস্তুচ্যুত মানুষকেই নয়, মানবিক কারণে যেকোনো মানুষকেই সাহায্য করা যায় বা তাকে বিপদমুক্ত করার জন্য এগিয়ে আসা যায়, পাশে দাঁড়ানো যায়। অস্ত্রের মুখে যাদের মাতৃভূমি থেকে উত্খাত করা হয়েছে, বাড়িঘর বা সহায়সম্পত্তি—সব কিছু ফেলে আসতে বাধ্য করা হয়েছে, তাদের স্বদেশভূমিতে ফিরিয়ে দেওয়াই মুখ্য উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। তাদের অধিকারের প্রশ্ন যদি উত্থাপিত হয়, তবে সেটি হবে সম্মানের সঙ্গে তাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এ জন্য তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্বদেশে পুনর্বাসিত করা। প্রাথমিকভাবে প্রত্যাবাসনই হচ্ছে একমাত্র সমাধান, এর কোনো বিকল্প নেই বা হতে পারে না। উল্লেখ্য, প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ তাদের সম্মতি অনেক আগেই দিয়ে দিয়েছে, কারো কাছ থেকে কখনো কোনো আপত্তি উত্থাপিত হয়নি।

বাংলাদেশে তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে, তাদের নিজেদের দেশে নিয়ে সুন্দর ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দিতে পারলে সেটি হবে বিশ্বব্যাংকের যোগ্যতা এবং আন্তরিকতার উপযুক্ত প্রমাণ। আর যে অর্থ সহায়তার প্রস্তাব করা হয়েছে তা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এবং মিয়ানমারে তাদের উপযুক্ত কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য পুনর্বাসনের কাজে ব্যয় করুন। এ দুটি কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করাসহ জাতিসংঘ ও বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা নিন এবং নিজেদের অস্তিত্বের সদ্ব্যবহার করুন। আমরা বিশ্বব্যাংককে যদি ওই অবস্থানে দেখতে পাই, তাহলে শুধু আমরাই নই, মিয়ানমারের এই ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হবে। কারণ বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত ওই রোহিঙ্গারাও নিজেদের ভিটামাটিতেই ফিরে যেতে চায়।

রোহিঙ্গারা ভালো থাক, এটি আমরাও চাই। ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনী যখন রাখাইনের গ্রামে গ্রামে হত্যা, ধর্ষণ আর অগ্নিসংযোগ শুরু করে তখন এই রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রম করে ঢুকে পড়ে এবং বাংলাদেশও মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দেয়। এ অবস্থায় তারা যেন তাদের ভিটামাটিতে ফিরে গিয়ে সেখানে নিরাপদে পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিয়ে জীবন যাপন করতে পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ২৩ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের মধ্য নভেম্বরে রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটি ফিরে যাওয়ার দিনক্ষণ ঠিক করা হলেও তারা যেতে পারেনি। এরপর ২০১৯ সালের ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের দিন ধার্য করেও কার্যকর করা যায়নি। মিয়ানমারের যথাযথ প্রস্তুতি এবং কয়েকটি সংস্থার সহযোগিতার অভাবে ওই সময় প্রত্যাবাসন সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তারপর মিয়ানমারে সামরিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে বিষয়টি অনেকটাই স্থবির হয়ে আছে। তবে সীমিতভাবে হলেও বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও একটি সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে নিজেদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিক রোহিঙ্গাদের সম্মানের সঙ্গে ফিরিয়ে নেবে, বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে এ আশাই পোষণ করে আসছে।

আমরা জানি, বাংলাদেশের এ প্রচেষ্টায় একজন শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে বিশ্বব্যাংক সব সময়ই প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শান্তিকামী মানুষের মতোই বিশ্বব্যাংকও রোহিঙ্গাদের কল্যাণ চায়। তাই হয়তো আবেগের বশবর্তী হয়ে অন্যান্য দেশের শরণার্থীদের জন্য যে চিন্তা-ভাবনা করছে সেই সঙ্গে রোহিঙ্গাদেরও জড়িয়ে ফেলেছে। তাদের হয়তো মনে ছিল না যে রোহিঙ্গাদের আমরা শরণার্থী বলি না, তারা বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক। যাই হোক, বাংলাদেশ সে কথাটি তাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। এর ফলে তাদের সে ভুল ভেঙে যাবে এবং সেভাবেই তারা তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। আমরা অবশ্যই আশা করব, বিশ্বব্যাংক আমাদের সবার সঙ্গে একত্র হয়ে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সব সময়ই পাশে থাকবে।

লেখক : সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected]; [email protected]
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top