মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র ১৪৩২
ছবি : সংগৃহীত
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে টানা ছুটি শুরু হওয়ায় ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কসহ সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম দুই পাড়ে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও কোথাও বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা বাইপাসসহ বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, যানবাহনের চাপ থাকলেও স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে পরিবহন। গাজীপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেন সুবিধা থাকায় যাত্রীরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছেন, তবে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু অংশে চলমান উন্নয়নকাজের কারণে কিছুটা ধীরগতি রয়েছে।
অন্যদিকে যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড় তথা সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের যমুনা সেতু পশ্চিম প্রান্ত, কড্ডার মোড়, নলকার মোড় ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, যানবাহনের চাপ বেড়েছে । সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে গাড়ির সংখ্যা। তবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোথাও দীর্ঘ যানজটের দেখা মেলেনি।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহাসড়কের বেশিরভাগ অংশেই যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। সেতু পার হওয়ার পর উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনগুলো তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারছে। তবে কিছু কিছু স্থানে ধীরগতি থাকলেও তা বড় ধরনের যানজটে রূপ নেয়নি।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, সোমবার ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ২০ হাজার ৭৫টি এবং ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৫৮৩টি যানবাহন ছিল।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সেতুর দুই প্রান্তে মোট ১৮টি টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা বুথও রয়েছে। যানবাহনের চাপ বাড়লেও দ্রুত পারাপার নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও যানজট নেই। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।
সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, মহাসড়কের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১২০০ পুলিশ সদস্য কাজ করছেন।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)