মঙ্গলবার, ২৪শে মার্চ ২০২৬, ১০ই চৈত্র ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত
স্লোগান কিংবা গালি দেওয়ার কারণে ছয় মাস জেলে থাকতে হয়। এটা কি ন্যায়বিচার- প্রশ্ন রাখেন গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে ছাত্র অধিকার পরিষদের ২০ নেতাকর্মীর জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর আদালত প্রাঙ্গণে এসব কথা বলেন ডা. জাফরুল্লাহ।
বিচারককে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ছাত্রদের অপরাধটা কি? পুলিশ মিথ্যা বলেছে, ছাত্রদের হাতে কোনো লাঠি ছিল না। আপনাকে (বিচারক) দেখে বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে। বঙ্গবন্ধু যখন এজাতীয় মামলায় নিম্ন আদালতে শাস্তি হতো তখন তিনি জেলা আদালতে আসতেন। আর আপনার মতো বিচারক বঙ্গবন্ধুকে জামিন দিয়ে দিতেন। একজন বিচারকের দায়িত্ব হচ্ছে, আমাদের কথা বলতে দেওয়া ও কথা শোনা। বিচারক আমার কথা শুনেছেন। ন্যায় কাজ করেছেন।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে রাজধানীতে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মিছিল থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার ছাত্র অধিকার পরিষদের ২০ জনের জামিন আবেদন করেন তাদের আইনজীবী। বিচারক শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন- মো. ইউনুস, নাজমুল হাসান, নাহিদুল তারেক, মো. নাইম, আসাদুজ্জামান, আজহারুল ইসলাম, সোহেল মৃধা, মোস্তাক আহমেদ, আজিম হোসেন, মো. রুহুল ইসলাম সোহেল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিশান, মো. সোহেল আহমদ, শেখ খায়রুল কবির, সবুজ হোসেন, হোলাম তানভীর, মো. হেমায়েত, ইসমাইল হোসেন, মো. রেজাউল করিম, মুনতাজুল ইসলাম ও কাজী বাহাউদ্দীন মনির।
জানা গেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে গত ২৫ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে মতিঝিল শাপলা চত্বরে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। এতে আরও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্মীরা অংশ নেন।
পুলিশ মিছিলের গতিরোধ করতে চাইলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এসময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। মিছিলকারীরাও পুলিশ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় পরদিন মতিঝিল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)