শনিবার, ১১ই এপ্রিল ২০২৬, ২৮শে চৈত্র ১৪৩২
ফাইল ছবি
প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে যুবদল নেতা পরিচয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনার সংবাদ প্রকাশের পর তার হাসপাতালে ছুটে গেছেন যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন তারা।
যুবদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তারা।
বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে এক পোস্টে জানানো হয়েছে, যুবদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক শ্যামলীতে ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে গিয়ে তাকে এ কথা জানান।
ডা. কামরুল ইসলাম যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের ধন্যবাদ জানান।
এ সময় অধ্যাপক কামরুল ইসলাম বলেন, “৫ আগস্টের পর শ্যামলীর চার নম্বর রোডের বাসিন্দা মঈন নামে এক ব্যক্তি হাসপাতালে খাবার সরবরাহের ঠিকাদারির কাজ নেয়। কিন্তু মঈন খাদ্যপণ্যের অনেক বেশি দাম ধরছিলেন দেখে তাকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর সে লোকজন নিয়ে এসে হাসপাতালের স্টাফদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য শুরু করে, টাকা চায়।
এসময় ওই ব্যক্তি কি নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না, জানতে চান যুবদল সভাপতি মুন্না।
তখন অধ্যাপক কামরুল বলেন, “সে বলছে সে যুবদলের নেতা, কাউন্সিলর ইলেকশন করতে চায়। আমি বিষয়টা নিয়ে জিডি করছি, এখানকার নেতাদের জানাই। কিন্তু তার এত বিরাট প্রভাব যে কেউ কিছু করেনি।’’
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)