বুধবার, ৮ই এপ্রিল ২০২৬, ২৫শে চৈত্র ১৪৩২
প্রতীকী ছবি
মসজিদে নামাজ পড়তে এসে যে মুক্তাদি ইমামের সঙ্গে শুরু থেকে নামাজ পায়নি বরং নামাজের কিছু অংশ পেয়েছে, তাকে মাসবুক বলে। মাসবুক মুসল্লিরা ছুটে যাওয়া নামাজ ইমামের সালাম ফিরানোর পর পড়ে নেবে। তারা তাদের ছুটে যাওয়া নামাজ যথারীতি কিরাতসহ আদায় করবে এবং এতে ভুল হলে সাহু সিদজাও করতে হবে।
মাসবুক ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে বাকি নামাজ আদায় করে শেষ বৈঠকে শুধু তাশাহহুদ পড়ে চুপ করে বসে থাকবে। এরপর ইমামের উভয় দিকে সালাম ফেরানোর পর দাঁড়িয়ে সে তার ছুটে যাওয়া রাকাতগুলো আদায় করে নেবে।
প্রথমে মাসবুক কিরাতওয়ালা রাকাত আদায় করবে এবং পরে কিরাতবিহীন রাকাতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়বে। তারপর শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ, দরূদ, দোয়ায়ে মাছুরা পড়ে সালাম ফেরাবে।
এই নিয়মানুসারে কোনো ব্যক্তির এক রাকাত ছুটে গেলে সে ওই রাকাতে কিরাত সুরা মিলিয়ে পড়ে শেষ বৈঠক করে সালাম ফেরাবে।
জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব
ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ওয়াজিব। আল্লাহ বলেন, ‘রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু কোরো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ৪৩)
পবিত্র কোরআনের আয়াত থেকে জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্ব জানা যায়। মহান আল্লাহ বলেন—
‘এবং (হে নবী,) আপনি যখন তাদের মধ্যে উপস্থিত থাকেন ও তাদের নামাজ পড়ান, তখন (শত্রুর সঙ্গে মোকাবেলার সময় তার নিয়ম এই যে) মুসলিমদের একটি দল আপনার সঙ্গে দাঁড়াবে এবং নিজেদের অস্ত্র সঙ্গে রাখবে। অতঃপর তারা যখন সিজদা করে নেবে, তখন তারা তোমাদের পেছনে চলে যাবে এবং অন্য দল, যারা এখনো নামাজ পড়েনি, সামনে এসে যাবে এবং তারা আপনার সঙ্গে নামাজ পড়বে। তারাও নিজেদের আত্মরক্ষার উপকরণ ও অস্ত্র সঙ্গে রাখবে।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ১০২)।
যুদ্ধের মতো কঠিন পরস্থিতিতেও আল্লাহ জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়তে বলেছেন।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)